এমপি হারুনকে সংবর্ধনা দিল চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার পক্ষ থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। বুধবার পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে তাকে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।
পৌর মেয়র মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ পৌরসভাসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সমন্বিতভাবে সমাধানের ওপর গুরত্বারোপ করেন। এ সময় তিনি পৌর নাগরিকদের সুপেয় পানির বিষয়টিতে অধিক গুরুত্ব দিয়ে বলেন- মহানন্দায় রাবার ড্যাম নির্মাণ হবে, ভাটি এলাকায় যেন পানি সমস্যা না হয় সেজন্য নদী খনন করা হচ্ছে। পৌরসভাকে এখনই পরিকল্পনা করতে হবে, পদ্মা নদীর স্বচ্ছ পানি উত্তোলন করে শোধনের মাধ্যমে কীভাবে পৌরবাসীকে সরবরাহ দেয়া যায়।
বিএনপির এ সংসদ সদস্য পৌর এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন- বিশ্বের কোথাও রাত ৮টার পর প্রয়োজন ছাড়া কোনো দোকানপাট খোলা থাকে না। আমরা যদি বিশেষ করে নিউমার্কেটসহ শহরের অন্যান্য মার্কেটের দোকানদারদের নিয়ে বসে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারি তাহলে রাতের মধ্যেই সমস্ত বর্জ্য অপসারণ করে রাখা যাবে। এসময় তিনি পৌরবাসীর অসচেতনতার কথা তুলে ধরে বলেন- পৌরসভার বাসিন্দারা না বুঝেই ড্রেনের মধ্যেও ঘরের বর্জ্য ফেলে পানি নিষ্কাশন বন্ধ করে দেয়। এটার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। সব মিলিয়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আমূল পরির্তন আনতে হবে।
ট্রাফিকের মোটর সাইকেল চেকিং বিয়য়ে তিনি বলেন- পুলিশ মোটর সাইকেল চেক করছে বলেই অপরাধ বন্ধ রয়েছে, তা না হলে অপরাধ বাড়ত, মোটর সাইকেল চুরি হতো, কাজেই মোটর সাইকেল চেকিংয়ের প্রয়োজন রয়েছে।
হারুনুর রশীদ শিক্ষা, স্বাস্থ্য নিয়েও কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন- আমি অবাক হয়েছি, সদর হাসপাতালে গত ২ বছর কোনো পরিচালনা কমিটি নেই। পরিচালনা কমিটি যেখানে নেই সেখানে ডাক্তারদের জবাবদিতা নেই। জনসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমি সিভিল সার্জনকে বলেছি, কমিটি করার জন্য। তিনি জানান, পদাধিকার বলে সংসদ সদস্য সভাপতি ও সিভিল সার্জন সদস্য সচিব। আমার বিশ্বাস, আমি বিএনপির এমপি বলে নয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সকল ভালো কাজে আওয়ামী লীগ, জামায়াতসহ দলমত নির্বিশেষ সকলের সহযোগিতা পাব। তিনি উন্নয়নমূলক কাজে সরকারি দফতর, স্থানীয় সরকারসহ সকলের নিজ নিজ সীমানার মধ্যে থেকে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- প্যানেল মেয়র মো. সাইদুর রহমান, প্যানেল মেয়র-২, প্যানেল মেয়র-৩ মোসা. মুসলেমা বেগম মুসি, নূরুল ইসলাম মিনহাজ, কাউন্সিলর আব্দুল বারেক, কাউন্সিলর ময়দুল ইসলাম, কাউন্সিলর এনামুল হক, নির্বাহী প্রকৌশলী সাদেকুল ইসলামসহ অন্যান্য কাউন্সিলর ও পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।