বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এখনো আছে ভবিষ্যতেও থাকবে : খাদ্যমন্ত্রী

5

একাত্তর সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ-ভারতের যে সম্পর্ক ছিল তা এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত আমাদের ঘরবাড়ি, সহায়-সম্বলহারা প্রায় এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়ে, তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়ে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল, আমরা তা আজও মনেপ্রাণে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী আমাদের শুধু আশ্রয় দেননি, বাংলাদেশকে স্বীকৃতি ও মুক্তিযুদ্ধে সৈন্য, অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করেছিলেন। সে সময় বাংলাদেশ-ভারত যে মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে, আজও তা অটুট রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও অটুট থাকবে।
মঙ্গলবার (০৭-০৫-২০১৯) বেলা সাড়ে ১১টায় নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার শাংশৈল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী ছাত্রীনিবাস উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়া মারীয়া পেরেরার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতি রিভা গাঙ্গুলী দাস, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. ছলিম উদ্দিন তরফদার, নওগাঁ জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান, নওগাঁ পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন, ভারতীয় হাই কমিশনের ফাস্ট সেক্রেটারি নবনীতা চক্রবর্তী, সহকারী ভারতীয় হাই কমিশনার (রাজশাহী) সঞ্জিব কুমার ভাট্টি, খাদ্যমন্ত্রীর একান্ত সচিব সহিদুজ্জামান, নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ফরিদ আহম্মেদ, এলজিইডি নওগাঁর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাইম উদ্দিন মিয়া, নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য আবেদ হোসেন মিলন, নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরো বলেন- আমার নির্বাচনী এলাকা বরেন্দ্র এলাকা। এখানকার মানুষের বড় সমস্যা বিশুদ্ধ খাবার পানি। সেই বিশুদ্ধ খাবার পানির সমস্যা দূর করার জন্য ৪০০টি ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। আমি আশা করব, ভারতে যেই সরকার গঠন করুক বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কের কোনো অবনতি হবে না। বরং দিন দিন তা উন্নতির দিকে যাবে। এসময় সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা সাপাহার উপজেলায় একটি স্থলবন্দর স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। ভারত সরকার তাতে সহযোগিতা করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
ভারতের আর্থিক সহযোগিতায় নিয়ামতপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ এবং শাংশৈল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজে দোতলা বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী ছাত্রীনিবাসের উদ্বোধন করা হয়।