শেষ মুহূর্তে এরিকসনের দেয়া গোলে বিপদমুক্ত হল টটেনহ্যাম

টটেনহ্যাম হটস্পার্সের কোচ মরিসিও পচেত্তিনো বলেছেন, তার ক্লান্ত দলটি এখনো সেরাটা দেয়ার চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বুধবার অনুষ্ঠিত প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচে ক্রিস্টিয়ান এরিকসনের দেয়া অসাধারণ গোলের কল্যাণে ব্রাইটনকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে স্পার্সরা। নিজেদের মাঠে পচেত্তিনোর শিষ্যরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্তই আধিপত্য বজায় রেখেছিল। কিন্তু ব্রাইটনের রক্ষণভাগের দক্ষতা এবং স্বাগতিকদের দুর্বল ফিনিশিংয়ের কারণে ম্যাচে ভারসাম্য তৈরি হয়। ৮৮ মিনিট পর্যন্ত এই ভারসাম্য বজায় ছিল।
শেষ মুহূর্তে এসে গোল খরা দূর করেন এরিকসন। তার রোমঞ্চকর দূর পাল্লার শটটি তালিকার তৃতীয়স্থানে থাকা স্পার্সদের পূর্ণ তিনটি পয়েন্ট পাইয়ে দেয়। এই জয়ের ফলে চতুর্থ স্থানে থাকা চেলসির সঙ্গে তিন পয়েন্টের ব্যবধান রচনা করেছে টটেনহ্যাম। তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে আর্সেনাল।
খেলা শেষে পচেত্তিনো বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা মাফিক তরতাজা অবস্থানে নেই দলটি। শুধু যে পায়ের অবস্থা এমন, তা নয়। মনের দিক থেকেও এমন অবস্থায় রয়েছি। সুতরাং এই সাফল্যের জন্য আমি খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানাচ্ছি। তাদের নিয়ে আমি খুবই গর্বিত। প্রতিপক্ষ হিসেবে ব্রাইটন বেশ শক্তিশালী। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমরা যেমনটি ভেবেছিলাম, তেমনটি হয়নি।’
এই নিয়ে নতুন মাঠে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় টানা চার ম্যাচের সবকটিতেই জয় পেল টটেনহ্যাম। কোন গোল হজম না করে প্রতিপক্ষের জালে গোল করেছে ৮টি।
এক বিলিয়ন পাউন্ড ব্যায়ে নির্মিত এই স্টেডিয়ামের সবচয়ে বড় হতাশার বিষয় হচ্ছে টটেনহ্যামের অধিনায়ক হ্যারি কেনের অনুপস্থিতি। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে তার অনুপস্থিতির ঘাটতিটি শেষ পর্যন্ত পূরণ করেছেন এরিকসন। মৌসুমের নবম গোল আদায়ের মাধ্যমে তিনি দলকে জয়ের ধারাবাহিকতায় রাখতে সক্ষম হন।
যে কারণে পচেত্তিনোও বেশ সন্তুষ্ট। কারণ শেষ পর্যন্ত ছেলেরা ব্যস্ত সূচির মধ্যেও দলটিকে জয়ের ধারায় রেখেছে। তিনি বলেন, ‘ ম্যাচে প্রতিপক্ষের পোস্টে ২০টিরও বেশী আক্রমণ রচিত হয়েছে। এটি সত্যিকার অর্থেই ব্যাপক। ম্যাচ শেষে তিনটি মূল্যবান পয়েন্ট পেয়েছি। যা দলটিকে পয়েন্ট তালিকার ভাল একটি অবস্থানে রেখেছে।’