স্পেনের দাপুটে জয় রদ্রিগো-রামোসের গোলে

ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষের উপর চাপ ধরে রাখলো স্পেন। সুযোগ নষ্টের ভিড়ে হতাশও হতে হলো অনেকবার। তবে রদ্রিগো ও সের্হিও রামোসের গোলে নরওয়েকে হারিয়ে ইউরো-২০২০ বাছাইপর্ব শুরু করল দুবারের ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা।
ভালেন্সিয়ার মেস্তায়া স্টেডিয়ামে রোববার রাতে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে ২-১ গোলে জেতে স্পেন।
আক্রমণাত্মক ফুটবলে শুরু থেকে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরা স্পেন ষোড়শ মিনিটে এগিয়ে যায়। বাঁ দিক থেকে বার্সেলোনার ডিফেন্ডার জর্দি আলবার ক্রস ছোট ডি-বক্সে পেয়ে বাঁ পায়ের ভলিতে গোলটি করেন ভালেন্সিয়ার ফরোয়ার্ড রদ্রিগো।
৩১তম মিনিটে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট হয় নরওয়ের। গোলরক্ষক দাভিদ দে হেয়াকে ফাঁকি দিয়ে গোলমুখে বল বাড়িয়েছিলেন মিডফিল্ডার হেনরিকসেন। কিন্তু খুব কাছ থেকে ঠিকমতো টোকা দিতে ব্যর্থ হন আরেক মিডফিল্ডার মোহামেদ। দুই মিনিট পর পাল্টা আক্রমণে আলভারো মোরাতার হেড দারুণ নৈপুণ্যে গোললাইন থেকে ফেরান অতিথি গোলরক্ষক।
দ্বিতীয়ার্ধেও একইভাবে অধিকাংশ সময় বল দখলে রেখে আক্রমণ করতে থাকে স্পেন। কিন্তু ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারছিল না তারা।
উল্টো ৬৫তম মিনিটে বোর্নমাউথের ফরোয়ার্ড জসুয়া কিংয়ের সফল স্পট কিকে সমতায় ফেরে নরওয়ে। ডি-বক্সে ফরোয়ার্ড বিওর্ন ইয়োনসেন ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টিটি পায় তারা।
অতিথিদের স্বস্তি অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৭১তম মিনিটে রামোসের পানেনকা স্পট কিকে আবারও এগিয়ে যায় ২০০৮ ও ২০১২ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নরা। আতলেতিকো মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড মোরাতাকে গোলরক্ষক ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি।
জাতীয় দলের হয়ে রিয়াল মাদ্রিদ অধিনায়কের এটা ১৬২ ম্যাচে ১৮তম গোল। আর চলতি মৌসুমে এই নিয়ে পেনাল্টি থেকে ৯ গোল করলেন তিনি, যার পাঁচটিই পানেনকা শটে।
এই গ্রুপের অন্য ম্যাচে সুইডেন নিজেদের মাঠে ২-১ গোলে রোমানিয়াকে হারিয়েছে।