জাতীয় চর নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি ইশতেহারে অন্তর্ভুক্তির দাবি

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ‘জাতীয় চর নীতিমালা প্রণয়ন’ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে। মৌলিক অধিকার বঞ্চিত চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এর কোনো বিকল্প নেই। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী এনজিও ফোরাম কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চরাঞ্চলের মানুষের অধিকার আদায়ে গঠিত চর অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলগুলার প্রতি এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য তুলে ধরেন, ন্যাশনাল চর অ্যালায়েন্সের সদস্য সচিব জাহিদ রহমান। বক্তব্য রাখেন এসএনকেএস এর নির্বাহী পরিচালক নজরুল ইসলাম, এসেডোর নির্বাহী পরিচালক রবিউল আলম, জিবাসের নির্বাহী পরিচালক তরিকুল ইসলাম টুকু, উন্নয়নকর্মী মাহবুব জামান তপন, দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত, সাংবাদিক আইনুল হক প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের মোট ভূমির প্রায় ১০ শতাংশ চরভূমি। প্রায় ৩২টি জেলার শতাধিক উপজেলার অংশবিশেষ জুড়ে বিস্তৃত এ চরাঞ্চল। তীব্র নদী ভাঙন, বন্যা, খরাসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে চরের মানুষকে বেঁচে থাকতে হয়। প্রতি বছর গড়ে ৫০ হাজার মানুষ নদী ভাঙনে গৃহহীন হয়ে পড়ে। ভৌগলিক অবস্থান বাংলাদেশকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ ঝুঁকির দেশে পরিণত করেছে। নদীবিধৌত এ দেশের চরাঞ্চলে বসবাসরত জনগোষ্ঠী এই দুর্যোগের প্রথম ও প্রধান শিকার। তাই চরের মানুষের উন্নয়নে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের অধিকার বঞ্চিত চরবাসীর উন্নয়নে সঠিক দিক নির্দেশনা থাকা প্রয়োজন। এজন্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় চর নীতিমালা প্রণয়নসহ তিনদফা দাবি নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্তের দাবি জানানো হয়।