রাজশাহী নগরীর উন্নয়নে ১০ হাজার কোটি টাকার কাজ করা হবে: মেয়র লিটন

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, রাজশাহী নগরীর উন্নয়নে আমার বর্মমান মেয়াদে অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করা হবে। সিটি করপোরেশনের প্রকৌশলীদের বলা হয়েছে, কোনো প্রকল্প যেন সাতশো-আটশো কোটি টাকার কমে না হয়। কারণ, আমরা যদি চাইতে না জানি, প্রধানমন্ত্রী আমাদের দিবে কেন। তারপরও প্রধানমন্ত্রী আমাদের প্রতি সদয়। এক কথায়, রাজশাহীর ভূ-উপরিস্থ পানি শোধনাগার নির্মাণে চার হাজার ১৫০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে নগরীতে বসবাসরত মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি। এর আয়োজন করেন মেয়র নিজেই। খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, রাজশাহী ইতিহাসে সবচেয়ে তাৎপর্যপূণ ঘটনা (গত বৃহস্পতিবার)। এইদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহী ওয়াসার উন্নয়নে চার হাজার ১৫০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন। এ প্রকল্পের মাধ্যমে রাজশাহী সিটি করপোরেশন ছাড়াও নওহাটা পৌরসভা ও কাটাখালী পৌরসভাতেও পানি সরবরাহ করা হবে। কারণ প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে পদ্মা নদীতে পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করা হবে। যাতে শুষ্ক মৌসুমেও পর্যাপ্ত পানি থাকে। লিটন বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন আছে। এর বাইরেও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আলাদা ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। যাতে মুক্তিযোদ্ধারা সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পায়। এ ছাড়া সাংবাদিকদের বসবাসের জন্যও আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সব প্রেসক্লাবগুলোকে এক কাতারে নিয়ে আসার জন্য প্রেসক্লাব কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণেরও উদ্যোগ নেওয়া হবে। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জিনাতুন নেসা তালুকদার, মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান রাজা, প্রবীণ সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান খান আলম, দৈনিক সোনালী সংবাদের সম্পাদক লিয়াকত আলী, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাজী শাহেদ, রাজশাহী টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান শ্যামল প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, মুক্তিযোদ্ধা কবি রুহুল আমিন প্রামাণিক।