যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মতবিনিময়

6

‘‘যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে” চাঁপাইনবাবহঞ্জে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে শহীদ সাটুহল মার্কেটের তৃতীয় তলায় বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) এ-সভার আয়োজন করে।
জেলা নাটাবের সভাপতি মনিম উদ দৌলা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এম এ মাতিন ও আলোচক হিসেবে ছিলেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিক্যাল অফিসার ডা. জিনাত আরা হক। মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন, জেলা নাটাব-এর সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মনোয়ার খান চান্না। এসময় তিনি সকলের উদ্দেশে বলেন, আপনারা যদি একটু সচেতন হন তাহলে আমরা সকলেই সুস্থ থাকব। আপনাদের ডেকেছি তার কারণ, এ আলোচনার মাধ্যমে আপনারা সচেতন হবেন এবং অন্যকে সচেতন করবেন।
আলোচকরা বলেন-১ সপ্তাহের বেশি কাশি বা খুসখুসে কাশি হলে বা শরীর ক্ষীণ হলে আপনারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন।
প্রধান আলোচক উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এম এ মাতিন যক্ষ্মায় আক্রান্তদের নিয়মিত পূর্ণ মেয়াদে ওষুধ খাওয়া ও নিয়মকানুন মেনে চলার জন্য পরামর্শ দিয়ে বলেন-আসুন আমরা সকলে সুস্থভাবে জীবন যাপন করি। যেখানে সেখানে থুথু বা কফ ফেলবেন না, কাশি হলে রুমাল ব্যাবহার করবেন। এসব নিয়ম মেনে চললে দেখা যাবে আমরা কিছুটা হলেও সুস্থ থাকব। আলোচক সিভিল সার্জন অফিসের মেডিক্যাল অফিসার ডা. জিনাত আরা হক যক্ষ্মা রোগীদের আলাদা রাখতে বলেন- আমরা যদি সচেতন না হয় তাহলে কিন্তু আমরা কেউ অসুখের হাত থেকে বাঁচব না এমনকি সঠিকভাবে ওষুধ না খেলে ধীরে ধীরে অসুখ বেশি হবে।
সভাপতির বক্তব্যে নাটাবের সভাপতি মনিম উদ দৌলা চৌধুরী বলেন, যক্ষ্মা রোগী যদি ৬ মাস নিয়মিত ওষুধ সেবন করে তাহলে তার যক্ষ্মা রোগ সেরে যাবে। এসময় তিনি আরো বলেন, কোনো মসজিদের ইমাম, কোনো ক্লাবের সভাপতি বা কোনো গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হাতে আমরা ওষুধটা দিয়ে বলি যক্ষ্মায় আক্রান্ত রোগীকে নিয়মিত ছয় মাস ওষধটা খাওয়াতে হবে।
মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানের ৩০ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন।