সোনামসজিদ বন্দরে দেশী ট্রাক সংকটে পেয়াজ সরবরাহ বিঘিœত

19

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে হঠাৎ করে দেশী ট্রাক সংকট হওয়ায় দেশের অভ্যন্তরে পেয়াজ সরবরাহে বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে। প্রচ- গরম ও ট্রাকের অভাবে নষ্ট হতে বসেছে পেয়াজ। এতে করে ব্যবসায়ীরা লোকসানের আশংকা করছেন। এদিকে পেয়াজের মূল্য কেজিতে ১০ টাকা কমে যাওয়ায় আমদানি-কারকেরা পড়েছেন বিপাকে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে পেয়য়াজের চাহিদা বেশি থাকায় কাস্টম্স কর্তপক্ষের বিশেষ আন্তরিকতায় এ বন্দর দিয়ে ব্যপক পরিমাণে পেয়াজ আমদানি হচ্ছে। কিন্তু সে অনুযায়ী বাংলাদেশী ট্রাক না পাওয়ায় বন্দরে পড়ে রয়েছে পেয়াজ। এদিকে প্রচ- তাপপ্রবাহের কারণে আটকেপড়া পেয়াজে পচন ধরছে। এতে করে ব্যবসায়ীরা পড়েছেন বিপাকে।
আমদানিকারক বাবুল হাসনাত দুরুল জানান, গত শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও দেশের অভ্যন্তরে পেয়াজের বাজার যেন বৃদ্ধি না পায় সেজন্য ব্যবসায়ীরা কাস্টমসের সাথে আলাপ আলোচনা করে বন্দরে শুধুমাত্র পেয়াজ আমদানি অব্যহত রাখে। তবে বাংলাদেশী ট্রাক সংকটের কারণে এর সুফল খুব একটা পাওয়া যায় নি।
সোনামসজিদ পানামা র্পোট লিংক লিমিটেডের পোর্ট ম্যানেজার মইনুল ইসলাম জানান, শুক্রবার ভারতের মহদিপুর স্থলবন্দর থেকে ২৩৬ ট্রাক (৪৭২০ মে.টন) পেয়াজ আমদানি হয়। গত শনিবার স্থলবন্দরে প্রায় ১শ’ ট্রাক পেয়াজ এবং রবিবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৬৮ ট্রাক পেয়াজ সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানি হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশী ট্রাক সংকট ও পেয়াজের ক্রেতা কম থাকায় সোনামসজিদ বন্দরে আটকা পড়ে অধিকাংশ পেয়াজ।
এদিকে পেয়াজ ব্যবসায়ী মঈন আলী জানান প্রতি কেজি পেয়াজ ২৬ টাকার স্থানে ১৬ টাকায় নেমে এসেছে।
এ প্রসঙ্গে আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুর রহমান বাবু জানিয়েছেন-ব্যবসায়ীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সোনামসজিদ ও মহদিপুর স্থলবন্দর খোলা রেখে পেয়াজ আমদানি অব্যহত রয়েছে। বাংলাদেশী ট্রাক সংকট থাকায় কিছুটা বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা বলে স্বীকার করেন তিনি।
অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ট্রাক মালিক গ্রুপের গোলাম কিবরিয়া ট্রাক সংকটের কথা স্বীকার করে জানান, ট্রাকের বৈধ লাইসেন্সধারী চালক সংকট ও কুরবানীর পশু পরিবহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় সামান্য এ সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।