নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পেতে পদ্মায় বাঁধ নির্মাণ করেছি : হারুন

২০০১ সালে এমপি থাকা কালিন সুন্দরপুর তথা দিয়াড় এলাকাকে নদী ভাঙ্গন থেকে বাঁচাতে বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা করি। আজ যদি সেইদিন পদ্মার বাঁধ নির্মাণ না করতাম তাহলে এখানে কোন গ্রাম আর থাকত না। এ অবদান বেগম খালেদা জিয়ার অবদান, এ অবদান বিএনপির অবদান। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত জনসভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশীদ এ সব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, একক ভাবে নির্বাচন করে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় টিকে আছেন। এ সরকার অবৈধ সরকার। আজ বিনা অপরাধে বিএনপির নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে বিএনপিকে শেষ করা যাবে না।
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সুন্দরপুর ১৪ নং ইউনিয়ন আয়োজিত বাগচরের মাদ্রাসা মাঠে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হারুন-অর-রশীদ।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাড: আশিফা আশরাফি পাপিয়া। সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ ও বিএনপি নেত্রী অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়ার ছেলে রুমাইয়া ইবনে হারুন রাফিও বক্তব্য দেন।
আরো বক্তব্য দেন, সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মতি, পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সদর থানার যুগ্ম সম্পাদক ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সাদিউজ্জামান মিয়া, গোবরাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তাশেম আলী স্বেচ্ছা সেবক দলের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম ওদুদ, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইসরাফিল আলম, ৮নং ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুর রহিম মাস্টার, যুবদল নেতা ও সাবেক মেম্বার দুরুল হোদা, যুবদল ইউনিয়ন সভাপতি মো. আলী, স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন সভাপতি আবুল কালাম আজাদ। জনসভায় সুন্দরপুর ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের বিপুল নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। নারীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মত।