রাজশাহীতে প্রথম ফ্লাইওভার ও চারলেনের রাস্তা নির্মাণ হচ্ছে

4

রাজশাহীতে এই প্রথম ফ্লাইওভার ও চারলেনের রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। রাজশাহী মহানগরীর রাজশাহী-নওগাঁ প্রধান সড়ক হতে মোহনপুর রাজশাহী-হতে নাটোর সড়ক পর্যন্ত পূর্ব-পশ্চিম সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রকল্পের চারলেন রাস্তার অবশিষ্ট নির্মাণ কাজের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহস্পতিবার। এদিন দুপুরে নগর ভবন জিআইজেড সভা কক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ মোমিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমে আজ একটি ঐতিহাসিক দিন। আমাদের দেশের মাটি ও মানুষ দুটিই মূল্যবান সম্পদ। মাটি আমাদের সীমিত কিন্তু মানুষ অঢেল। ভবিষ্যতে প্রকৌশলীদের মাথায় পরিকল্পনা রাখতে হবে জমি বাঁচিয়ে বিকল্প পদ্ধতিতে ফ্লাইওভার তৈরি করা। কারণ জমি সীমিত হওয়ায় এটি আমাদের প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যেই আমরা নাটোর নওগাঁ সড়কের মধ্যে একটি বন্ধন তেরি করতে যাচ্ছি। প্রকল্পের ফ্লাইওভার এবং সড়ক দুটি সম্পন্ন হলে মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। এ সময় ঠিকাদারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কাজের গুণগতমান বজায় রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ সমাপ্ত করতে হবে। ২০৫০ সালের মধ্যে রাজশাহীকে আধুনিক নগরীতে পরিণত করতে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে উভয় প্রকল্পে চুক্তি স্বাক্ষর করেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খন্দকার খায়রুল বাশার। রাস্তার কাজের চুক্তি স্বাক্ষর করেন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান রিথিনেএন্টার প্রাইজের পরিচালক তৌরিদ আল মাসুদ, ফ্লাইওভার চুক্তি স্বাক্ষর করেন ডেইনকো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খোরসেদ আলম। প্রকল্পের সার্বিক তথ্য উপস্থাপন করেন প্রধান প্রকৌশলী মো. আশরাফুল হক। উল্লেখ্য স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে মোট ব্যয় ১৮২ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা। এ প্রকল্পের আওতায় মহানগরীর রাস্তার জন্য প্রথম পর্যায়ে ২০ কোটি টাকা এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে সংশোধিত ২৪ কোটি টাকা এবং বুধপাড়া রেলক্রসিং স্থানে ফ্লাইওভার নির্মাণে ২৯ কোটি ২৮ লাখ ৭৭ হাজার ৫৩২ টাকা এবং অবশিষ্ট টাকা জমি অধিগ্রহণ ও ভৌত অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় হবে।