চরাঞ্চলের শিশুরা কোথায় পাবে স্বাস্থ্যসেবা?

23

-রাসেল রহমান-

আজকের শিশু আগামীর সম্পদ। এই সম্পদের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচর্যা ও উন্নয়ন দেশ ও জাতি গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকে। একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ার লক্ষ্যেই সবার স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এই সরকারের চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর জন্য বর্তমান সরকারের সফলতও কম নয়। সারা দেশে সাড়ে ১৩ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য খাতে সরকারের বড় অর্জন এবং বিশ্বের অনেক দেশের কাছে এটি একটি রোল মডেলও। তারপরেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে এখনো চরাঞ্চল এই সেবা থেকে বঞ্চিতই রয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়নপুর, শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ও দুর্লভপুর এই তিনটি ইউনিয়ন পদ্মানদীর চরে অবস্থিত। নদীর স্রোতের মতই প্রবাহমান তাদের জীবন। পদ্মা নদীর ভাঙনে ভৌগলিক বিপর্যয়ের সাথে প্রতিনিয়ত মোকাবেলা করে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ সেখানে বসবাস করছে। সীমান্তবর্তী এ চর থেকে উপজেলা সদরে যেতে হলে বিশাল পদ্মানদী পার হতে হয়। এসব ফেরিঘাটে পারাপারের সময়সীমা কারো জানা নেই। চিকিৎসকের ৫ মিনিটের পরামর্শ নিয়ে বাড়ি ফিরতে প্রায় দুদিন লাগে। মুমূর্ষু রোগী ছাড়া ডাক্তার দেখানোর রেওয়াজ নেই এসব গ্রামের মানুষের।
এ-সরকারের আমলে সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আলোর মুখ দেখেছে এলাকার মানুষ। তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে জীবন-যাপনের উন্নয়নও শুরু হয়েছে। জানতে পারছে তাদের জীবন, দায়িত্ব, কর্তব্য ও অধিকার সম্পর্কে। তবে সচেতনতার সাথেসাথে বাড়ছে চিকিৎসা বঞ্চিত মানুষের হতাশা। মোট জনসংখ্যার বেশিরভাগ নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য ও জীবন অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তারা জানে না, কোথায় পাবে স্বাস্থ্যসেবা? এখানকার প্রায় প্রতিটি পরিবারেই নারী ও শিশু স্বাস্থ্যহীনতায় ভুগছে। শুধু সরকারের সেবার অপ্রতুলতা বা অপ্রাপ্তির জন্যই যে এমন দুর্দশা সৃষ্টি হয়েছে, ঠিক তা নয়। বরং অশিক্ষা, কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামি, দারিদ্র্যতা, অপচিকিৎসা ও পরিবেশগত নানাবিধ জটিলতা বাসা বেঁধেছে প্রতি ঘরে। চর এলাকায় শিশুদের স্বাস্থ্য ও জীবন সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। যা আমাদের ভবিষ্যৎকে নিয়ে যেতে পারে মেধাহীন জাতির কাতারে। সাধারণত শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়দের তুলনায় অনেক কম। এজন্যে শীতের তীব্রতার সাথে শিশুরা বিভিন্ন অসুখে আক্রান্ত হওয়ার পরিমাণও বেড়ে যায়। বাতাসে ধুলোবালির সাথে রোগজীবাণুর সংক্রমণ বেশী থাকায় শিশুরা সাধারণত আক্রান্ত হয় নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, ডায়রিয়া, সর্দি-জ্বর, কাশিসহ শীত জনিত বিভিন্ন অসুখে। সঠিক সময়ে পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পাওয়ায় অকালে শিশুমৃত্যুর হার বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্য হারে। অহরহ ঘটে দুঃখজনক ও অপ্রত্যাশিত প্রাণহানি।
শীতের তীব্রতা শহর থেকে অনেক বেশি নদীগর্ভস্থ চরাঞ্চলে। সকাল সন্ধ্যা নদীতীরের হিমেল হাওয়া গরমকাল বা খরা মৌসুমে যতটা আনন্দদায়ক শীতকালে ঠিক ততটাই কষ্টকর। তখন দুর্ভোগে পড়ে নদীভাঙ্গন কবলিত এলাকার খেটে খাওয়া মানুষ। যখন উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সদর হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ক্লিনিকগুলো শীত জনিত রোগে আক্রান্ত শিশুদের সেবা প্রদানে ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওঠে তখন চরাঞ্চলের নিরুপায় মা তার কোলের শিশুর শ্বাসকষ্ট বা শেষ নিশ্বাসের দিকে তাকিয়ে থাকেন অঝর নয়নে। প্রাকৃতিক এমন দুর্ভোগ তারা প্রাকৃতিক উপায়েই মোকাবিলা করে। জীবনকে সম্পূর্ণ সঁপে দেয় নিষ্ঠুর নিয়তির হাতে।
বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরে সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার স্বাস্থ্যসেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দেবার জন্য সরকার ক্রমাগত পদক্ষেপ নিয়েছে। ১৯৮৭ সালে তৃণমুলে স্বাস্থ্য পরিচর্যা ইপিআই আউটরিচ সেন্টার ও স্যাটেলাইট ক্লিনিকের সমন্বয়ে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা পোষ্ট (ঠরষষধমব ঐবধষঃয ঈধৎব চড়ংঃ ) চালু করা হয়। প্রতি মাসে স্বাস্থ্যশিক্ষা, টিকাদান, শিশুর বাড়ন গতি পর্যানুসরণ, ভিটামিন এ ক্যাপসুল, লৌহ বড়ি বিতরণ, ডায়রিয়া চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণ, খাবার স্যালাইন বিতরণ, পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদান, গর্ভকালীন ও প্রসবোত্তর পরিচর্যা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সেবা প্রদানের জন্য ওয়ার্ডে একটি করে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা পোস্ট স্থাপন করা হয়। সেখানে একজন স্বাস্থ্য সহকারী (ঐঅ) ও একজন পরিবার কল্যাণ সহকারী (ঋডঅ), গ্রামীণ স্বাস্থ্য স্বেচ্ছাসেবকের সহযোগীতায় সেবা প্রদানের ব্যবস্থ্য রাখা হয়।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর “২০০০ সাল নাগাদ সবার জন্য স্বাস্থ্য” নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার গ্রামাঞ্চলে প্রতি ৬ হাজার মানুষের জন্য একটি করে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেন। যেখানে একজন রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট চিকিৎসক, প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী, ইন্টারনেট সার্ভিস, বিনামূল্যে ওষুধ, ই-হেলথ, টেলিমেডিসিনসহ আনুষঙ্গিক সকল ধরণের সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন তালিকায় কমিউনিটি ক্লিনিকই রয়েছে সবার শীর্ষে এবং এই প্রকল্প চিকিৎসাক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী প্রসার বলে অনেকেই মনে করেন। এছাড়াও গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবামূলক সরকারের আরেকটি কার্যক্রম হলো ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। জনসাধারণের রোগ নিরাময়, রোগ নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ গর্ভাবস্থা এবং নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করে মাতৃস্বাস্থ্য রক্ষা করার লক্ষ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র রয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ও সিভিল সার্জনের অধীনে এটি পরিচালিত হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের পদ্মাচরের উল্লিখিত তিনটি ইউনিয়নেও একটি করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে দাপ্তরিক ভাবে। তবে সেখান থেকে কীসেবা পাওয়া যায়, তা ৯৫ শতাংশ এলাকাবাসী জানে না। নারায়নপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভবন আছে ঠিকই কিন্তু সেবা দেবার মত কোন জনবল নেই। পাঁকা ইউনিয়নের জনবল শূন্য ভবন গত বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। জনসংখ্যার আধিক্যতার জন্য দুর্লভপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পদ্মানদীর পূর্বপাড়ে দাদনচকে অবস্থিত। শুধুমাত্র টিকাদান কর্মসূচি ছাড়া এলাকাবাসী অন্য কোন স্বাস্থ্যসেবা পান না বললেই চলে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৬ মতে, নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করার উদ্দেশ্যে অন্যান্য ব্যবস্থার সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অনুচ্ছেদ ১৮(১) তে বলা আছে, জনগণের পুষ্টি স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবেন। এ-থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় যে, সমগ্র বাংলাদেশের, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধন করা রাষ্ট্রের অন্যতম কর্তব্য। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি সুনাগরিকের দায়িত্বও বটে। শীতে শিশুর প্রতি যতœবান হতে চিকিৎসকগণ বলছেন, কোন শিশু যদি হঠাৎ ডায়রিয়া বা নিউমোনিয়ার মতো অসুখে আক্রান্ত হয় তাহলে যথাসম্ভব দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হাসপাতাল বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। শিশু জন্মের পরপরই প্রতিটি শিশুর জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। জন্মের আগে অর্থাৎ গর্ভাবস্থায় কমপক্ষে চারবার চেকআপ করা আবশ্যক। একটি স্বাস্থ্যবান নবজাতকের জন্য গর্ভবতী মায়ের বাড়তি খাবার ও যতœ নেয়া অত্যাবশ্যকীয়। কিন্তু চরাঞ্চলের বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। সেখানে অধিকাংশ পরিবার কোন একজন কবিরাজের বিভ্রান্তির বেড়াজালে আবদ্ধ রয়েছে স্মরণাতীত কাল থেকে। তার পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভকালীন পরিচর্যা নেয়া হয়। সেক্ষেত্রে গর্ভবতীকে অল্প আহার, বেশি হাঁটাচলা ও সাংসারিক সকল কাজ সাভাবিক নিয়মে চালিয়ে যেতে পরামর্শ দেয়া হয়। যেকোনো সমস্যা সৃষ্টি হলে কবিরাজের ঝাড়ফুঁক নেয়া হয়। তাতে যথেষ্ট উপকার না হলে যেকোন পল্লী চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয়। চিকিৎসক নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবচাইতে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয় কার কাছে গেলে খরচ কম হয়। ঔষধের ক্ষেত্রেও কমদামীগুলোর কদর বেশী। চরাঞ্চলের প্রায় সকল নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য ও জীবনের সর্বোচ্চসেবা পেয়ে থাকেন অপ্রশিক্ষিত পল্লী চিকিৎসকদের হাতে।
বেশিরভাগ শিশুমেয়েকে বিয়ের পীড়িতে বসতে হয় অভিভাবকের ইচ্ছায়। সম্প্রতি প্রশাসনের উদ্যোগে বাল্যবিয়ের প্রবণতা কিছুটা কমেছে। শিশু অবস্থায় শিশুর জন্ম দিতে হয় শাশুড়ি বা স্বামীর নির্দেশে। পরিস্থিতি যখন একেবারেই বেগতিক তখন সদর স্বাস্থ্যকেন্দ্র অথবা ক্লিনিকে যেতে হয়। সেক্ষেত্রে প্রথমে গরুর গাড়ি, তারপর নৌকা, অত:পর অটোরিকশা যোগে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় তিন-চার ঘণ্টা। সেক্ষেত্রে বেশিরভাগ মা রাস্তায়, গরুর গাড়ী অথবা নৌকায় অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ পরিবেশে বাচ্চা প্রসব করেন। এমন প্রতিকূলতার সাথে সংগ্রাম করে যেসব নবজাতক বাঁচে তারা প্রায় অস্বাস্থ্য ও অপুষ্টিতে ভুগে। বড় হয় দুর্বল শরীর ও দুর্বল মেধা নিয়ে। এজন্য চর এলাকার জীবনমান তেমন উন্নত হয়নি। ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারের যেসব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র রয়েছে সেগুলো কার্যাবলী প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য যথেষ্টই। কিন্তু চরের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে কোন সেবাই জনগণ পায়না বললে ভুল হবে কী? হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র নদীগর্ভে বিলীন অথবা বিচ্ছিন্ন নদীচরে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মী নদী পারাপারের অজুহাতে অনুপস্থিত থাকেন দিনের পর দিন। বিজ্ঞানের যুগে এই সমস্যার সমাধান হওয়া সহজ। তার জন্য সরকারের পাশাপাশি আমাদের প্রত্যেকের সদিচ্ছার প্রয়োজন। প্রয়োজন চরাঞ্চলের জন্য ভিন্ন পরিকল্পনা। বিশ্বের বেশ কিছু উন্নয়নশীল দেশে দেখা যায় স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচিতে জনগণের সচেতন অংশগ্রহণ রয়েছে। বিভিন্ন দেশে সমাজভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা প্রসারের সফল উদ্যোগ দেখা গেছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার বেশ কিছুদিন পর সামাজিক সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের কাজ শুরু হয়েছিল। সেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমের আরো প্রসার দরকার। বর্তমান সরকাররে ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের জন্য উচিত বঞ্চিত চরাঞ্চলে চিকিৎসা সেবা পৌঁছানোর উপযুক্ত কৌশল অবলম্বন করা। প্রত্যেক চিকিৎসক যদি অন্তত প্রতি মাসে একদিন চরে অবস্থান করেন এবং চিকিৎসা প্রদান করেন তাহলে মানুষের চিকিৎসা গ্রহণের হতাশা দূর হবে এবং তারা নিজেদের স্বাস্থ্য ভালো রাখার কৌশলও শিখবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিজস্ব আগ্রহ ও দায়িত্ববোধকে জাগিয়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাদের সেবা প্রদানের হাতকে সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। এতে করে একদিকে যেমন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবা প্রদান করে নিজের আত্মতৃপ্তিতে সমৃৃদ্ধ হতে পারেন তেমনি অবহেলিত মানুষগুলো তাদের সেবা পেয়ে উপকৃত হবেন। ফলে সরকারের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আরো মজবুত হতে পারে। এ বিষয়ে নাগরিক সচেতনতা এবং বাস্তব চাহিদাগুলো চিহ্নিত করে অধিকার আদায়ে নাগরিক ও রাষ্ট্র সবাই সচেষ্ট হোক এটাই বড় প্রত্যাশা।