ভ্রমণের উপযোগী পোশাক

শীতকালে গাঢ় রঙের মোটা তাপনিরোধক কাপড়ের তৈরি জামা পরিধান করুন। তবে খেয়াল রাখবেন শীতের কাপড়ের ওজন যত সম্ভব যেন কম হয়। তা না হলে আপনার ব্যাকপ্যাক ভারি হবে শীতের পোশাকে। ঠা-া থেকে বাঁচার জন্যে সাথে করে মাফলার, মোজা, গ্লাভস, হুডসহ কাপড় পরিধান করতে পারেন। জামার রং অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা আমরা ভ্রমণে বের হবার সময় লক্ষ্য রাখা উচিত। উজ্জ¦ল রঙের কাপড়ে ছবি সুন্দর হয়। তবে পাহাড় বা বনাঞ্চলে ভ্রমণের সময় অবশ্যই উজ্জ¦ল কোনো রঙের জামা পরিধান করা উচিত নয়। প্রচুর হাঁটতে হবে এমন ট্যুরে সাদা রঙের জামাই শ্রেয়। দেখে নিন আরো কিছু টিপস।ভ্রমণের সময় আঁটসাঁট জামা পরিধান করা উচিত নয়, যতটা ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান করা যায় ততই ভালো। ভ্রমণের পোশাক অবশ্যই এমন হতে হবে যেন তাপনিরোধক হয়, দ্রুত পানি শুকিয়ে যায়, ক্ষতিকর রশ্মি নিরোধক হয়। ভ্রমণের স্থান, পরিবেশ এবং সংস্কৃতি মাথায় রাখা উচিত পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে। গোসলের বাড়তি পোষাক নেবেন যদি নদী, ঝর্ণা বা সাগরে যান ভেজানোর জন্য সিনথেটিক পোশাক বেশি ভালো। কারণ সিনথেটিক পোশাক ভেজালে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায় এবং ভেজা থাকলেও বেশি ওজন হয় না। গা মোছার জন্য সব সময় গামছা ব্যবহার করুন। গামছা পাতলা হয়, এবং শুকায় তাড়াতাড়ি। শিশুদের পোশাক, জুতা আলাদা ব্যাগে নিতে পারেন। জুতার ব্যাপারে বাড়তি মনোযোগ দিন। আরামদায়ক কেডস হলে ভালো হয়। মেয়েদের হিল জুতা ব্যবহার না করলেই ভালো। রোদ থেকে বাঁচার জন্যে কাপড়ের টুপি বা ক্যাপ সাথে নিবেন। রোদচশমা খুব ভালো কাজে দিবে।