তিস্তা বাঁধে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা


ভারতের সিকিম রাজ্য থেকে প্রবাহিত হওয়া তিস্তা নদীর ওপর পশ্চিমবঙ্গের অংশে তৈরি হওয়া সবচেয়ে বড় বাঁধটি হলো গজলডোবা বাঁধ। গত বৃহস্পতিবার গজলডোবায় এক অনুষ্ঠানে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গের সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ব্যবস্থা চালু করার জন্য পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার ২০ কোটি রুপি বরাদ্দ করেছে।
বাঁধটি পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলায়। এটি লম্বায় প্রায় এক কিলোমিটার। মূল বাঁধে ৪৫টি স্লুইসগেট রয়েছে। এই বাঁধের পাশে দুটি ক্যানেলে যথাক্রমে ১৩ ও ৪টি স্লুইসগেট রয়েছে। বাঁধটি ২০০৭ সালে তৈরি হয়। উচ্চতা ২৮৫ ফুট। বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ৬০ মেগাওয়াট। বাঁধটির স্লুইসগেটগুলো শিকল টেনে খোলা বা বন্ধ করা হয়। বাঁধের স্লুইসগেট বন্ধ করা ও খোলার জন্য দূরনিয়ন্ত্রিত আধুনিক স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
পশ্চিমবঙ্গের সেচ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা চালু করা হলে স্লুইসগেট গেটের গেট বন্ধ বা খোলা যাবে দূরনিয়ন্ত্রিত স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায়। এতে বাঁধের পানি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। কমবেশি পানি ছাড়া যাবে। বন্যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা নেওয়া যাবে।
২০১৯ সালের জুলাই মাসের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সেচমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বাঁধের মধ্যে এই প্রথম গজলডোবা বাঁধে এই ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরপর এ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বর্ধমানের দুর্গাপুর বাঁধে।