স্বস্তিতেই টাইগারদের শুরু

এই ম্যাচটাকে বাংলাদেশ দেখছে দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত সুযোগ হিসেবে। অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম আগের দিনই বলেছেন, এই ম্যাচ থেকেই চ্যালেঞ্জের শুরু হবে। প্রথম দিনের ব্যাটিং বিবেচনায় বাংলাদেশ সে চ্যালেঞ্জ মোটামুটি উতরে গেছে বলা যায়। কয়েকটি ব্যাটিং ধসের পরও বাংলাদেশ আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ৩০৬ রান করে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছে। জবাবে এক উইকেট হারিয়ে ২১ রান করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রণমূলক একাদশ। শেষ পর্যন্ত উইকেটে ছিলেন সাব্বির রহমান। ৮৯ বলে ৯টি চারে সাজানো ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তার সঙ্গী তাসকিন আহমেদ অপরাজিত ৮ রানে। বাংলাদেশ ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা খায় তামিম ইকবালকে হারিয়ে। কোনো বোলার তুলে নিতে পারেননি ইনফর্ম এই ওপেনারের উইকেট। মাংসপেশীতে টান লাগায় মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। এরপর বাংলাদেশকে দারুণ একটা শুরু এনে দেন সৌম্য সরকার ও ইমরুল কায়েস। দুজনে ৭৯ রানের জুটি করেন। কিন্তু খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে ফিরে আসেন দুজন। ইমরুল ফন বার্গের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। আর প্রিটোরিয়াসের বলে ক্যাচ তুলে দেন সৌম্য। ইমরুল আউট হওয়ার আগে ৫১ বলে ৩৪ রান করেন। সৌম্য অনেকদিন পর মোটামুটি একটা স্কোর করেন; ৬৯ বলে তিনি করেন ৪৩ রান। এই জুটি ফেরার পর বাংলাদেশের হয়ে আরো ভালো একটা জুটি করেন মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিম। এই দুই তারকাই ফিফটি পূরণ করে ফেলেন। ১১৯ রান যোগ করেন মুশফিক-মুমিনুল জুটি।
মুশফিক ৮৫ বলে ৬৩ রান করে ফেরেন। আর মুমিনুল ৭৩ বলে করেন ৬৮ রান। আর এই সময়ই বাংলাদেশ মিডল অর্ডারে বাজে এক ধসের মুখোমুখি হয়। মাত্র দুই ওভারের মধ্যে মাইকেল কোহেন ৪টি উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে পেছন পায়ে ঠেলে দেন। ইনিংসের ৪৮তম ওভারে এসে পরপর কোহেনের দুই বলে ফিরে আসেন মুমিনুল ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৬৮ রানে মুমিনুল ফেরার পরের বলেই শূন্য হাতে ফেরেন রিয়াদ। পরের ওভারটা নির্বিঘেœ কাটালেও আবার জোড়া ধাক্কা দেন কোহেন ৫০তম ওভারে। ওভারের দ্বিতীয় বলে ফেরেন মুশফিক। এক বল পরেই খালি হাতে এবার তার পথ ধরেন লিটন কুমার দাশ। এরপর ইনিংসটা ধরে রেখেছেন সাব্বির রহমান। তাকে সঙ্গ দিয়েছেন ১৮ রান করে আউট হয়ে যাওয়া মেহেদী হাসান মিরাজ।