কাজাখস্তান গেছেন রাষ্ট্রপতি

49

মুসলিম দেশগুলোর জোট ওআইসি’র প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে কাজাখাস্তানের রাজধানী আস্তানার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। শনিবার বিকেল পৌনে ৩টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে রাষ্ট্রপতি আস্তানার উদ্দেশে রওনা হন। বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানান বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। ঢাকায় ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন এবং ভ্যাটিক্যানের রাষ্ট্রদূত জর্জ কোচেরি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান এবং পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিমানবন্দরে। ওআইসি আশা করছে, প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনে ওআইসির ২০টি সদস্য রাষ্ট্রের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা অংশ নেবেন। দুদিন ব্যাপী এই সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘সায়েন্স, টেকনোলজি, ইনোভেশন অ্যান্ড মর্ডানাইজেশন অব ইসলামিক ওয়ার্ল্ড’। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন জানান, আস্তানার ‘প্যালেস অব ইনডিপেন্ডেন্স’ এই সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। এর বাইরে একাধিক রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গেও তার সাক্ষাতের কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই সফরে থাকছেন। ওআইসির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ওআইসি আশা করছে, অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের আধুনিকায়নে মুসলিম উম্মাহর বাস্তবমুখী ভূমিকার সূচনা করবে। এই সম্মেলনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে আলোচনার পর ১০ বছর মেয়াদী কর্মপরিকল্পনা ‘ওআইসি এসটিআই এজেন্ডা-২০২৬’ ঘোষণা করা হবে। ওআইসির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ওআইসি আশা করছে, অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের আধুনিকায়নে মুসলিম উম্মাহর বাস্তবমুখী ভূমিকার সূচনা করবে। ওআইসি আরও আশা করছে, এই সম্মেলন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে ও মুসলিম বিশ্বের মধ্যকার পার্থক্য দূর করতে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও সংহতির নীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন জানান, সম্মেলন শেষে ১২ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির দেশে ফেরার কথা রয়েছে।