চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই লক্ষাধিক শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’

আগামী ৫ আগস্ট জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১২৫৯টি কেন্দ্রে দু’লাখ ৮০৯ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১মাস বয়সী ২৩ হাজার ৮’শ ৪৩ জন শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন “এ” ক্যাপসুল ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯’শ ৬৬ জন শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন “এ” ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। বুধবার দুপুরে সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্ল¬াস ক্যা¤েপইন ১ম রাউন্ড উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. কাজী শামীম হোসেন। সিভিল সার্জন তাঁর বক্তব্যে বলেন, ভিটামিন ‘এ’ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। আগামী ৫ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫টি উপজেলা ও পৌরসভার ১২৫৯টি কেন্দ্রে সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত প্রশিক্ষিত ৩ হাজার ৭৬২ জন কর্মী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল ও মায়েদের পুষ্টি বার্তা দেয়ার কাজটি করবে। সেই সাথে কোন শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে যাতে দ্রুত চিকিৎসা দেয়া যায়, সেই লক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎকদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সভার শুরুতেই পাওয়া পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ইউনিসেফ’র পুষ্টি বিষয়ক জেলা প্রতিনিধি ডা. আবু সায়েম। এ সময় জানান, শিশুর রোগ প্রতিরোধে শালদুধসহ ৬মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধের বিকল্প নেই। শিশুর বয়স ৬ মাস হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ভিটামিন এ সমৃদ্ধ মাছ, মাংস, শাক সবজি, ফলমূল শিশুকে খাওয়াতে হবে। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, মেডিক্যাল অফিসার ড. জিন্নাত আরা হক, ইপিআই ইন্সপেক্টর আমিরুল ইসলাম জীবন প্রমুখ।