চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক দু’টি মামলায় ৪ জনের কারাদন্ড

চাঁপইনবাবগঞ্জে পৃথক দু’টি মামলায় ৪ জনকে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের আমারক গ্রামের মো. হোসেনের ছেলে খাইরুল (২৪) কে ১০ বছর সশ্রম কারাদ- ১০হাজার টাকা অর্থদন্ড, আনাদায়ে আরও ৩ মাস কারাদন্ড, একই মামলায় একই গ্রামের সাজ্জাদ আলীর ছেলে ফারুক (২৯) ও মো. রনি (২৪) কে ৫ বছর করে কারাদন্ড, ৫ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড, অনাদায়ে আরও ১ মাস করে কারাদ- এবং ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় গোমস্তাপুর উপজেলার দেওপুরা গ্রামের মৃত রফিকুলের ছেলে মো. নুরুজ্জমান (৪৩) কে ৫ বছর কারাদন্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল-২ এর বিচারক মো. জিয়াউর রহমান আসামীদের উপস্থিতিতে পৃথক পৃথকভাবে এই দন্ডাদেশ প্রদান করেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বার দন্ডিত খাইরুল, ফারুক ও রনিসহ আরও কয়েকজন আমারক গ্রামের ইন্দ্রজিত রায়ের মেয়ে শিউলী রানীকে প্রলোভন দিয়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। শিউলীর চিৎকারে লোকজন এগিয়ে গেলে তারা পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটি লজ্জায় বিষপান করে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় সদর থানায় ইন্দ্রজিত রায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম ২০১৩ সালের ৪ এপ্রিল ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় জিয়াউর রহমান নামে একজনের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেন আদালত।
অপর দিকে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানান যায়, ২০১৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি গোমস্তাপুর উপজেলার দেওপুরা গ্রামের ১২ বছরের এক প্রতিবন্ধী মেয়ে রাস্তার পাশে খেলা করার সময় নুরুজ্জামান মাঠের মধ্যে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা করে। এ ঘটনায় মেয়েটির চাচা আব্দুর রহিম বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। ২০১৪ সালের ২ এপ্রিল এসআই নূর মোহাম্মদ সরকার নরুজ্জাজ্জামানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।