চীনের বিমানবাহী রণতরীর উদ্বোধন

87

 নতুন একটি প্রথম বিমানবাহী রণতরী উদ্বোধন করেছে চীন। দেশটির সামরিক বাহিনীতে এটি দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী। তবে চীনে এমন রণতরী নির্মাণের ঘটনা এবারই প্রথম। ২৫ বছরেরও বেশি সময় আগে নির্মিত বিমানবাহী রণতরী লিয়াওনিং থেকে নতুন রণতরীটি অনেক উন্নত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০১৩ সালে এ রণতরীটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। চীনা কর্মকর্তারা যখন রণতরীটির উদ্বোধন করছিলেন, তখন লাউড স্পিকারে দেশাত্মবোধক সংগীত বাজছিল বলে সিনহুয়া জানিয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানিয়েছে, দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর দালিয়ানে ওই রণতরীটিকে পানিতে নামানো হয়। তবে রণতরীটির কোনও নাম উল্লেখ করা হয়নি। এর আগে ২০২০ সালে রণতরীটিকে উদ্বোধনের কথা বলা হয়েছিল। চীনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই রণতরীতে চীনের জে-১৫ যুদ্ধবিমানসহ অন্যান্য বিমান থাকবে। তবে রণতরীটি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র বহন করবে না বলে জানানো হয়েছে। নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্কিন সাবমেরিনের উপস্থিতি। পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী ইউএসএস মিশিগান গত মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছায়। সাবমেরিনটির কার্ল ভিনসন রণতরীর সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে।
মার্কিন শক্তি প্রদর্শনের অংশ হিসেবে কার্ল ভিনসনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইউএসএস মিশিগান কোরিয়া উপদ্বীপে সামরিক মহড়া চালাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, রণতরী কার্ল ভিনসন নির্দেশ অনুসারে কোরিয়ার দিকে যাত্রা করেছে। পিয়ংইয়ং কোরিয়া উপদ্বীপে যে কোনও সামরিক মহড়াকে আগ্রাসন বলে মনে করে। তারা এর প্রতিক্রিয়ায় হুমকি দিয়েছে, ‘মার্কিন আগ্রাসন রুখতে প্রয়োজনে রণতরী ডুবিয়ে দেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়া পরস্পর উস্কানিমূলক কর্মকা- এবং মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ভিনসন স্ট্রাইক গ্রুপকে কোরিয়া উপদ্বীপে পাঠানোর ঘোষণার পর শুরু হওয়া যুদ্ধাবস্থার মধ্যেই চীন রণতরীটি জলে নামিয়েছে।