চোখের পাপড়ি বড় ও ঘন করুন প্রাকৃতিক উপায়ে

95

চোখের পাপড়ি ঘন ও একটু বড় হলে পুরো চোখের আকারই বদলে যায়। আমরা কেউ কেউ মেকআপের মাধ্যমে চোখের পাপড়ি বড় করে থাকি। আবার কেউ কেউ মোটা করে মাশকারা ব্যবহার করেন। অনেকে আবার ফলস আইল্যাশ লাগান। ঘরোয়া কিছু প্রাকৃতিক এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিহীন উপায়ে খুব সহজেই চোখের পাপড়ির আকার বড় করে নেওয়া সম্ভব। ব্যাপারটি একেবারেই কঠিন কিছু না। আসুন তাহলে জেনে নেই কিভাবে চোখের পাপড়ি বড় ও ঘন করবেন প্রাকৃতিক উপায়ে।
ক্যাস্টর অয়েল : বাজার থেকে সব থেকে ভালো ব্র্যান্ডের প্রাকৃতিক ক্যাস্টর অয়েল কিনে নিন। যেহেতু চোখের ব্যাপার তাই খারাপ জিনিস না কেনাই ভালো। এবার প্রতিরাতে ভালো করে মেকআপ পরিষ্কার করে, মুখ ভালো করে ধুয়ে নিয়ে ঘুমুতে যাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে অল্প পরিমাণে ক্যাস্টর অয়েল চোখের পাতায় লাগিয়ে নিন, যাতে অয়েল ভালো করে শুষে নিতে পারে আপনার চোখের পাতার ত্বক। সকালে ভালো মতো চোখের পাপড়ি ধুয়ে ফেলুন।
পেট্রোলিয়াম জেলির ব্যবহার : চোখের পাপড়ির আকার বড় করার জন্য রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে মাশকারার ব্রাশে পেট্রোলিয়াম জেলি মেখে মাশকারা দেয়ার মতো চোখের পাপড়িতে লাগিয়ে রাখুন। পুরো রাত এভাবে রেখে সকালে কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।
লেবুর খোসার ব্যবহার : চোখের পাপড়ি বড় করার জন্য লেবুর খোসার ব্যবহার করা যায়। সামান্য অলিভ অয়েল বা আমন্ড অয়েলে লেবুর খোসা দিয়ে তা গরম করুন। ৩-৪ বার গরম করুন এবং লক্ষ্য রাঙ্খুন তেল যেনো ফুটে না যায়। এই তেলটি মাশকারা ব্রাশের সাহায্যে মাশকারা দেয়ার মতো চোখের পাপড়িতে লাগিয়ে নিন। পুরো রাত এভাবে রেখে সকালে কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।
অলিভ অয়েলের ব্যবহার : একটি পুরাতন মাশকারার ব্রাশ পরিষ্কার করে নিন। রাতে ঘুমুতে যাওয়ার সময় মাশকারার ব্রাশ দিয়ে অলিভ অয়েলে ডুবিয়ে মাশকারা দেয়ার মতো চোখের পাপড়িতে লাগান। সকালে কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করলে ২-৩ মাসের মধ্যেই পরিবর্তন দেখতে পাবেন । একই রূপে ক্যাস্টর অয়েল ও আমন্ড অয়েল ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়াচুল বৃদ্ধির জন্য চুল সঠিকভাবে এবং নিয়মিত আঁচড়ানো যেমন প্রয়োজন, তেমনি চোখের পাপড়িও বৃদ্ধি সম্ভব। নিয়মিত চোখের পাপড়ি আঁচড়াবেন। অতিরিক্ত মাত্রায় আইশ্যাডো কালার ব্যবহার করবেন না। এতে চোখের পাপড়ির ক্ষতি হয়। ভিটামিন ‘ই’ চোখের পাপড়ি বড় করতেও সাহায্য করে।