রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলার সাথে ভিডিও কনফারেন্স করলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মূখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ

Abul-Kalam-Azadরাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলার সাথে ভিডিও কনফারেন্স করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মূখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ।  রবিবার বিকেলে চাঁপাইনবাগঞ্জসহ রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলার জেলা প্রশাসকদের সাথে ভিডিও কনফারেন্স করেন তিনি। কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ ভিক্ষুক পুর্নবাস কর্মসূচি নিয়ে সবার সাথে আলোচনা করা হয়। কনফারেন্সের সময় চাঁপাইনবাগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল হাসান, স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক তৌফিকুল ইসলাম, সদর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফতেখার উদ্দিন শামীম, শিবগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম,  সহকারী কমিশনার নয়ন কুমার রাজবংসী, জেলা তথ্য কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান, প্রয়াসের নির্বাহী পরিচালক হাসিব হোসেনসহ অন্যান্যরা। কনফারেন্সে রাজশাহী জেলার বিভাগীয় কমিশনার ও অন্য জেলার জেলা প্রশাসক ও দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ নিজ নিজ জেলায় ভিক্ষুক পুর্নবাসন কর্মসূচি বিষয়ে গৃহীত কার্যক্রম ও আগামী দিনের কর্ম পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এসময় চাঁপাইনবাগঞ্জের জেলাপ্রশাসক ও সাংবাদিক শহীদুল হুদা অলকের সাথে কথা বলেন তিনি। এসময় সকল জেলা প্রশাসকদের দিক নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মূখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন-একটি সমস্যা সকলের জন্য একরকম নয়। একেক জনের সমস্যা একেক রকম, সমাধান করতে হবে একেক রকম ভাবে। সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরী করতে হবে, যেন আমরা যারা ভিক্ষুক মুক্ত করতে চায় তাদের লোকাল মবিলাইজেশন(স্থানীয় যোগাযোগ) এমন ভাবে করতে হবে, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, এনজিও, আমাদের সিভিল সোসাইটি তাদের মাধ্যমে ভিক্ষুকদের পেসার তৈরী করতে হবে যে, তোমরা ভিক্ষা করতে পারবানা, তোমাদের আমরা সাহায্য করছি। পাশাপাশি তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। আর ভিক্ষুক মুক্ত করার সবচেয়ে বড় বিষয় হল ফলোয়াপ করা। যাতে করে তারা আবারো ভিক্ষা পেশায় যুক্ত হতে না পারে। ভিডিও কনফারেন্স শেষে ওই বিষয়ে মুক্ত আলোচনা হয়। এসময় জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রয়াস ভিক্ষুক পুর্নবাসন করার জন্য যে কর্মসূচি নিয়েছে, তা আমার মনে হয় স্থায়ী ভাবে ভিক্ষুক পুর্নবাসন করবে। প্রয়াস ভালো একটা ইফেক্ট তৈরী করে দিচ্ছে। আমি চাইবো চাঁপাইনবাবগঞ্জে বড় বড় এনজিও গুলো আছে তাদের কিছু অংশগ্রহণ। শুধু উচ্চ সুদের ক্ষুদ্রঋণ না দিয়ে, তারা কিছু ভলেন্টারি কাজ করে আমাদের সহযোগী হোক। তাহলে এ কাজটি সহজ হবে। তাছাড়া এখানে যারা ধনবান ব্যক্তি রয়েছেন তাদের সহায়তা নেবো। এছাড়া সামনে রমজান মাস আসছে, আমরা ইসলামী ফাউন্ডেশনের কাছে সহায়তা নেয়ার চেষ্টা করব। আমরা চাইব এই জেলাকে ভিক্ষুক মুক্ত করতে।