সুদিনের অপেক্ষায় শশী

61

01-সমসাময়িক অনেকেই বিয়ের কর্মটি সেরে ফেললেও শশীর পক্ষে তা এখনো সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি। অনেকদিন ধরেই এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে নিশ্চিত কোনো তথ্য তিনি দিতে পারছিলেন না। তবে চলতি বছরে বিয়ে করতে যাচ্ছেন এমনটা নিশ্চিত করেছেন সম্প্রতি। কারণ, পরিবার থেকে তার জন্য এরই মধ্যে মনের মতো পাত্রও পাওয়া গেছে। এখন শুধু একটি সুদিনের অপেক্ষায় তিনি। এদিকে অসংখ্য নাটকে অভিনয় করতে দেখা গেলেও শশীকে খুব বেশি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে পাওয়া যায়নি। তার শোবিজ ক্যারিয়ার শুরুর অনেক পরে ২০১৫ সালে তিনি প্রথম বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেন। সে বছর এবং তার পরের বছর অল্প কিছু বিজ্ঞাপনে মডেল হয়েছেন তিনি। সর্বশেষ গত বছর অক্টোবর মাসে তিনি একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হন। এবার নতুন বছরের এ মাসের প্রথম সপ্তাহে শশী নতুন বছরের প্রথম বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। এরইমধ্যে রাজধানীর বিএফডিসিতে গত ৫ই ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞাপনটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। একটি বহুজাতিক কোম্পানির ডিটারজেন্ট পাউডারের বিজ্ঞাপন এটি। এতে তার কোআর্টিস্ট আদনান। বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন মাকসুদ। এতে কাজ করা প্রসঙ্গে শশী বলেন, বিজ্ঞাপনের গল্প ভাবনা, বাজেট সবমিলিয়ে ভালো লেগেছে বলে এতে মডেল হয়ে কাজ করেছি। প্রায় পুরো দিনই বিজ্ঞাপনটির শুটিং হয়েছে। খুব যতœ নিয়ে মাকসুদ ভাই এটি নির্মাণ করেছেন। আশা করি প্রচারে এলে এটি সবার ভালো লাগবে। শশী সর্বশেষ একটি বহুজাতিক কোম্পানির নুডুলসের বিজ্ঞাপনে মডেল হয়েছিলেন। ২০১৫ সালে তিনি মেজবাউর রহমান সুমনের নির্দেশনায় একটি বিজ্ঞাপনে প্রথম মডেল হিসেবে কাজ করেন। শশী অভিনীত আলোচিত চলচ্চিত্র কোহিনূর আক্তার সুচন্দা পরিচালিত ‘হাজার বছর ধরে’। এতে টুনী চরিত্রে অভিনয় করে বেশ প্রশংসিত হয়েছিলেন তিনি। এরপর তাকে খিজির হায়াত খানের নির্দেশনায় বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘অস্তিত্বে আমার দেশ’ চলচ্চিত্রে বীরজায়া মিলি রহমানের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়। এরপর শফিকুল ইসলাম ভৈরবী  পরিচালিত ‘শোয়া চাঁন পাখি’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করলেও পরে এর পরিচালক মারা যাওয়ায় ছবিটির নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। মোরশেদুল ইসলামের নির্দেশনায় অপূর্বর বিপরীতে ‘বৃষ্টির দিন’ নামের একটি চলচ্চিত্রেও কাজ করার কথা ছিল শশীর। সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। আর তাই এখন আর চলচ্চিত্রে কাজ করা নিয়ে তেমন কোনো আগ্রহ নেই এ অভিনেত্রীর। উল্লেখ্য, শশী অভিনীত প্রচারচলতি ধারাবাহিক নাটকগুলো হচ্ছে সোহেল আরমানের ‘জলরং’, আমিরুল ইসলাম অরুণের ‘শেফালী’ ও অম্লান বিশ্বাসের ‘শূন্যতা’।