র‌্যাব-পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ ৫ ডাকাত নিহত

103

golaguliচট্টগ্রাম ও কুষ্টিয়ায় র‌্যাব ও পুলিশের সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনায় ৫ ‘ডাকাত’ নিহত হয়েছে। এরমধ্যে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় ৩ ডাকাত ও কুষ্টিয়ার মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২ ডাকাত নিহত হয়েছে। উভয় ঘটনায় বেশকিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে এ পৃথক এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রামে নিহত ৩ ডাকাতের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি। কুষ্টিয়ায় নিহতরা হলেন-জয়নাল (৩০) ও আসাদুল (৪০)। নিহত জয়নাল কুমারগাড়ার শহীদুল ইসলামের ছেলে ও আসাদুল দৌলতপুর উপজেলার সেনপাড়া গ্রামের মৃত জামাত মোল্লার ছেলে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিজামপুর এলাকায় একদল ডাকাত অবস্থান করছে-এমন খবরের ভিত্তিতে র‌্যাব অভিযান চালাতে যায়। উপস্থিতি টের পেয়ে র‌্যাবকে লক্ষ্য করে ডাকাতরা গুলি চালায়। র‌্যাব সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে পাল্টাগুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলে ৩ ডাকাতের মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে ৩টি বিদেশি পিস্তল ও ২টি ওয়ান শুটারগান উদ্ধার করা হয়। তবে নিহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি চন্দন দেবনাথ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অপরদিকে কুষ্টিয়ায় মিরপুর-ভেড়ামারা সড়কের গোবিন্দগুনিয়া নামক স্থানে সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতির চেষ্টা চলছে-এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর ডাকাতরা তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই দুই ‘ডাকাত’ নিহত হয়। অন্যরা পালিয়ে যায়। নিহতরা হলেন-জয়নাল ও আসাদুল।লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, তিনটি বোমা, একটি রাম দা, একটি হাসুয়া ও গাছ কাটার করাত উদ্ধার এবং ওসিসহ পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী জালাল উদ্দিন আহম্মেদ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।