বাংলাদেশেও সোয়াইন ফ্লু বিস্তারের ঝুঁকি রয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম

58

03-সংসদে প্রশ্নোত্তরে তিনি জানান, ভারতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৩ হাজার মানুষ সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন দুই হাজারের মতো। সীমান্তবর্তী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে দুই শতাধিক সোয়াইন ফ্লুর রোগী সনাক্ত হয়েছে এবং তাদের ২৪ জন মারা গেছেন বলে জানান মন্ত্রী। “যেহেতু বাংলাদেশের চারদিকে ভারতের সীমান্ত বিস্তৃত এবং এসব সীমান্তের প্রবেশদ্বার দিয়ে প্রতিদিন সহ¯্রাধিক মানুষ যাতায়াত করে থাকে, সেহেতু বাংলাদেশেও এ রোগ বিস্তারের ঝুঁকি রয়েছে।” ২০০৯ সালের মহামারীর পর সোয়াইন ফ্লু বাংলাদেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা বি ও এইচ৩ এর মতোই মৌসুমী ইনফ্লুয়েঞ্জায় পরিণত হয়।
বাংলাদেশে এখন এক ভ্যাকসিনে ওই তিন ভাইরাসের প্রতিষেধক পাওয়া যায়। এর অর্থ হলো- একটি প্রতিষেধক নিলেই গর্ভবতী নারী, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ রোগীরা উচ্চ মাত্রার সংক্রামক এই ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকতে পারেন। বাংলাদেশে সর্বশেষ সোয়াইন ফ্লু ধরা পড়ে ২০১৩ সালের এপ্রিলে। নাসিম বলেন, “বাংলাদেশে সাধারণত ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুম বর্ষাকাল। সে মোতাবেক বাংলাদেশে এ মূহূর্তে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রাদুর্ভাব নেই।” সোয়াইন ফ্লুর বিস্তার রোধে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপও তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।