রহস্যোপোমা

gourbangla logo

দেখতে দেখতে একদিন কাঠের পুতুলটা কাঠ হয়ে
গেল! আমি অনেক ঘুরে ঘুরে তার রহস্য উন্মোচন
করতে পারি নি  পারি না আজও।

পশ্চিম জানালার চৌকাঠে ঘুণ ধরল  মাকড়সার জালবিদ্ধ
হলো সব ফ্রেমে আর ফাঁক ফোকরে;
বিপরীত ভাবে আলো আসতে শুরু করল আমার ঘরজুড়ে।
এ রহস্যও উন্মোচন করতে আমি ব্যর্থ হলাম।

কিছুদিন পার হবার পরেই  কালবাতাস এলো। চড়–য়ের
ছোট বাসাটা ল-ভ- হয়ে গেল! আমি একটা বাসা তৈরি
করলাম। ইতোমধ্যে চড়–ইজোড়া নিখোঁজ হলো।
এ রহস্য আমি আর খুঁজলাম না।

হাতঘড়িটাও হারাল অবশেষে; কিন্তু সময় ফুরোয় নি।
মনঘড়িটা মাঝে মাঝে চলাচল বন্ধ করে নিশ্চুপ, নিথর হয়ে
বসে থাকে। রহস্যটা বেশি দূরের নয়। তবু বহুদূর বলতে হবে
তাকে; নইলে প্রশ্নবিদ্ধ হতে হবে হয়তোবা।

জানি বন্ধু! এ সবকিছুই অবহেলার নিশ্চুপ উপমা হবে।
রহস্য সব রহস্যই থেকে যাবে। তবু অন্ধকারে পুড়তে থাকবে
অন্ধ মানুষের বদ্ধ আত্মা।