হর্টিকালচারিস্ট যখন কাঁচি শিল্পী

হর্টিকালচারিস্ট যখন কাঁচি শিল্পী মো. তসলিম উদ্দিন
একজন হর্টিকালচারিস্ট যখন শিল্পী তখন তাঁর হাতে গড়ে উঠে শিল্পকর্ম। তিনি নিরলস প্রচেষ্টায় তাঁর অফিস সংলগ্ন পুকুরপাড়ে তৈরী করেন বিশালাকায় কৃত্তিম একটি হাতি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টার দেশের বৃহত্তম হর্টিকালচার সেন্টার গুলোর মধ্যে অন্যতম। জেলা শহরের অদূরে কল্যাণপুর নামক স্থানে এই সেন্টারটি অবস্থিত। এই সেন্টারে রয়েছে নানান জাতের দেশী বিদেশী ফুল ও ফলসহ হর্টিকালচারের যাবতীয় উপাদান। ফলে এই সেন্টারটি পরিদর্শনে আসেন দেশের এবং দেশের বাইরের অনেক দর্শনার্থী। দর্শনার্থীদের মনোরঞ্জনের জন্য এই সেন্টারের উপ-পরিচালক ড. সাইফুর রহমান তৈরী করেছেন শৈল্পিক এক নিদর্শন। তিনি লোহার ফ্রেমে দেশী শেওড়া জাতীয় গাছের লতাপাতা দিয়ে তিলে তিলে তৈরী করেছেন একটি হাতি। তিনি দক্ষতার সাথে কাঁচি দিয়ে বাড়তি লতাপাতা কেটে দিয়ে তৈরী করেছেন হাতির অবয়ব। হাতির চোখ, কান, দাঁত, হাত-পা, লেজ সবই করেছেন তিনি। দূর থেকে দেখলে দর্শনার্থীদের মনে হতে পারে জলজ্যান্ত একটি হাতি পুকুর পাড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। দর্শনার্থীরা এই হাতিটি দেখার জন্য ভিড়ও করছে।
ড. সাইফুর রহমান জানান, হাতির নিচে ছোট ছোট সাইজের বিভিন্ন ধরণের ফলের গাছ রয়েছে। যে গুলোতে ফলও আছে। সেকারণে দর্শনার্থীদের চাহিদাও বাড়ছে।