৭০ ভাগ মানুষ টিকা পেলে শেষ হবে মহামারি

5

বিশ্বে ৭০ ভাগ মানুষ করোনার টিকা পেলেই এবছর শেষ হতে পারে করোনা মহামারির তীব্রতা। এমনটাই দাবি করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস অ্যাডানম গ্যাব্রিয়াসাস। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, চলতি বছরের জুন-জুলাইয়ের দিকেই শেষ হতে পারে করোনার তীব্রতা। এদিকে, সাউথ আফ্রিকার করোনা টিকা তৈরির চেষ্টা আফ্রিকা মহাদেশে অন্যান্য রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সহায়তা করছে। গত শুক্রবার দেশটি সফরে এসব কথা বলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান। এদিকে, বিশ্বে একদিনে ২৩ লাখ ১৭ হাজারের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। প্রাণহানি হয়েছে ১০ হাজার ৯৩৭ জনের। এ নিয়ে বিশ্বে করোনায় প্রাণহানি ছাড়িয়েছে ৫৮ লাখ ২০ হাজার। এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৪০ কোটি ৮৯ লাখের বেশি।

২৪ ঘন্টায় বিশ্বে সর্বোচ্চ ২ লাখ ২৯ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে জার্মানিতে। ২৪ ঘন্টায় দেশটিতে মারা গেছে ২১৫ জন। এক সপ্তাহে সেখানে সংক্রমণ বেড়েছে ৭ শতাংশ ও মৃত্যুর হার বেড়েছে ১৯ ভাগ। মহামারি শুরুর পর একদিনে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৩ হাজার রোগী শনাক্ত হয়েছে রাশিয়ায়। নতুন করে প্রাণ গেছে ৭২২ জনের। ইতালিতে ৭ দিনে ২৯ শতাংশ কমেছে সংক্রমণের হার। একইসাথে মৃত্যুর হার কমেছে ৮ ভাগ। এই পরিস্থিতিতে সকল ধরনের জনসমাগম এলাকায় মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়েছে দেশটির সরকার। ইতালিতে এখন পর্যন্ত সাড়ে ৭৭ ভাগ নাগরিক পুরোপুরি টিকা নিয়েছে। এদিকে, বিশ্বে একদিনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজারের বেশি মানুষ।

দেশটির ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন গত শুক্রবার এলি লিলি অ্যান্ড কোম্পানির করোনার অ্যান্টিবডি ড্রাগের অনুমোদন দিয়েছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি সেখানকার ছয় মাস থেকে দুই বছর বয়সী শিশুদের জন্য ফাইজারের টিকা দুই মাসের জন্য স্থগিত করেছে। হংকংয়ে প্রকট আকারে বাড়ছে সংক্রমণ। একদিনে দেশটিতে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩২৫ জন রোগী। যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এক সপ্তাহে সেখানে সংক্রমণের হার বেড়েছে ৫৬৭ শতাংশ আর মৃত্যুর হার বেড়েছে ৩০০ ভাগ পর্যন্ত। এই অবস্থায় হংকংয়ে করোনা পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য সম্পূর্ণ সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে চীন।এছাড়া ভারতে কমছে সংক্রমণ। টানা ৫ দিন দেশটিতে ১ লাখের কম রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সেখানকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ২৪ ঘন্টায় দেশটিতে শনাক্ত হয়েছে ৫০ হাজার ৪০৭ জন রোগী। মৃত্যু হয়েছে ৮০৪ জনের। গত ৭ দিনে ভারতে সংক্রমণের হার কমেছে ৫৯ ভাগ ও মৃত্যু কমেছে ১৩ শতাংশ।