২৪ ওয়ানডে, ২৬ টি-টোয়েন্টি খেলবে মেয়েরা

16

নারী ক্রিকেটাদের ভবিষ্যৎ সফরসূচি পরিকল্পনা (এফটিপি) চূড়ান্ত করেছে আইসিসি। দলগুলো জেনেছে ২০২২-২৫ চক্রে কতগুলো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে তারা। বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে আইসিসি উইমেন’স চ্যাম্পিয়নশিপে সুযোগ পাওয়া। বেড়েছে সিরিজ ও ম্যাচের সংখ্যা। গত মে মাসে আইসিসি জানিয়েছিল, ১০ দলের সবাই আগামী তিন বছরে আটটি তিন ম্যাচের সিরিজ (চারটি হোম ও চারটি অ্যাওয়ে) খেলবে। চক্রের শেষে শীর্ষ পাঁচটি দল ও স্বাগতিকরা ২০২৫ বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পাবে। বাকি দলগুলিকে বাছাইপর্বের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এই চক্রে বাংলাদেশের খেলা নেই শুধু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির সংখ্যা বেড়েছে, তবে টেস্টের জন্য বাংলাদেশের মেয়েদের অপেক্ষা আরও বাড়ছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এফটিপিতে নিগার সুলতানা, রুমানা আহমেদ, সালমা খাতুনদের জন্য এই সংস্করণে রাখা হয়নি কোনো ম্যাচ। দেশের মাটিতে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। সফর করবে নিউ জিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে। আয়ারল্যান্ড ছাড়া প্রতিটি দলের সঙ্গে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। আইরিশদের বিপক্ষে তিন ওয়ানডের সঙ্গে আছে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি। এই চক্রে তাই দ্বি-পাক্ষিক সিরিজে বাংলাদেশের ওয়ানডে ২৪টি, টি-টোয়েন্টি ২৬টি।

২০১১ সালের ২৬ নভেম্বর ওয়ানডেতে অভিষেক হয় বাংলাদেশের। ১১ বছরে এই সংস্করণে ম্যাচ খেলতে পেরেছে মোটে ৪৯টি। ২০১২ সালের অগাস্টে অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি খেলেছে ৭৯টি। চলতি বছরের ডিসেম্বরে নিউ জিল্যান্ড সফর দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের মেয়েদের অভিযান। সেখান থেকে ফিরে আগামী বছরের শুরুতে খেলতে যাবে শ্রীলঙ্কায়। ২০১৩ সালের জুন-জুলাইয়ে বাংলাদেশ সফর করবে ভারত। অক্টোবর-নভেম্বরে খেলে যাবে উপমহাদেশের আরেক দল পাকিস্তান।

এরপর দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলতে যাবেন নিগার, রুমানারা। ২০২৪ সালের মার্চ-এপ্রিলে বাংলাদেশ সফরে আসবে অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা। ডিসেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দেশের মাটিতে খেলার পর ফারজানা হক-সালামারা যাবেন ওয়েস্ট ইন্ডিজে। এই ক্যারিবিয়ান সফর দিয়ে শেষ হবে বাংলাদেশের উইমেন’স চ্যাম্পিয়নশিপ চক্র। উইমেন’স চ্যাম্পিয়নশিপের তৃতীয় আসর এটি। প্রথম দুই আসরে দল ছিল ৮টি করে, চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে ৯ ও ১০ নম্বরে থাকায় বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড সুযোগ পাওয়ায় এবারের আসর হবে ১০ দলের।