১৯ বছর পর অস্ট্রেলিয়া সফর, আমন্ত্রণ পায়নি ইংল্যান্ড

6

বাংলাদেশ দলের সঙ্গে খেলাটা লাভজনক নয়। এমন অজুহাতে ক্রিকেটের কুলীন দেশগুলো বাংলাদেশ দলকে আতিথ্য দেওয়া থেকে বিরত থেকেছে প্রায় এক দশক। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। বাংলাদেশ সর্বশেষ ইংল্যান্ডের মাটিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছে ২০১০ সালে। লর্ডস, ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্টে তামিম ইকবালের জোড়া সেঞ্চুরি, ব্রিস্টলে ওয়ানডে জয়ই এখনো ইংল্যান্ডে বাংলাদেশের সুখস্মৃতি হয়ে আছে। ২০০৮ সালে শেষ বার অস্ট্রেলিয়া সফর করেছিলেন টাইগাররা। সেই দলের অনেকে এখন পেশাদার ক্রিকেটেও নেই। আইসিসির নতুন এফটিপিতে (ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রাম) অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার দুয়ার খুলেছে বাংলাদেশ দলের জন্য। ১৯ বছর পর অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবেন টাইগাররা। ২০২৭ সালের মার্চে অস্ট্রেলিয়া সফরের আমন্ত্রণ পেয়েছে বিসিবি। তবে আগের মতোই বাংলাদেশ বিমুখ অবস্থান ধরে রেখেছে ইংল্যান্ড। এখনো দেশের মাটিতে টাইগারদের বিরুদ্ধে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে রাজি নয় দেশটি। এফটিপিতে বাংলাদেশকে আতিথ্য দেওয়ার পথেই হাঁটেনি ইংলিশরা।

আগামী চার বছরের (২০২৩-২০২৭) জন্য এফটিপির চূড়ান্ত প্রকাশ করেছে আইসিসি। যেখানে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের জুনে অস্ট্রেলিয়া দল বাংলাদেশ সফর করবে। পরের বছর যাবে বাংলাদেশ। নিজেদের দেশে না ডাকলেও ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারীতে বাংলাদেশ সফরে আসবে ইংল্যান্ড। চার বছরের চক্রে বাংলাদেশ খেলবে ১৫০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। যেখানে টেস্ট ৩৪টি, ওয়ানডে ৫৯টি, টি-২০ ৫৭টি। নতুন এফটিপিতে ১৭ টেস্ট সিরিজ, যার মধ্যে ১২ সিরিজই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অধীনে। ১৯ ওয়ানডে সিরিজের ১৮টিই হবে তিন ম্যাচের। এই চক্রে একমাত্র পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২০২৬ সালের জুলাইয়ে, প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে। টি-২০ তে ১৮ সিরিজের ১৬টিই তিন ম্যাচের।

এর বাইরে ২০২৩ সালে আয়ারল্যান্ডে ৪টি, ২০২৪ সালে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ৫ ম্যাচের টি-২০ সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। আগামী বছর মে মাসে আয়ারল্যান্ড সফর দিয়ে চার বছরের চক্র শুরু করবে বাংলাদেশ। শেষটা হবে ২০২৭ সালে অস্ট্রেলিয়ায় দুই টেস্ট খেলার মধ্য দিয়ে। প্রতিবেশী ভারতের মাটিতে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে খেলতে যাবেন টাইগাররা। ২০২৫ সালের আগস্টে ভারতীয় দল আসবে বাংলাদেশ সফরে। আইসিসির চার বছরের নতুন এফটিপির খেলা শুরু হবে ২০২৩ সালের মার্চে। বর্তমান এফটিপির চেয়ে ম্যাচ বেড়েছে ৮৩টি। বর্তমান চক্রে ৬৯৪ ম্যাচ ছিল, ১২টি টেস্ট খেলুড়ে দেশ আগামী চার বছরে খেলবে ৭৭৭ ম্যাচ। এর মধ্যে থাকবে দুটি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ, আইসিসির বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট থাকছে। এর বাইরে দেশগুলো সমঝোতার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ, ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজন করতে পারবে।