হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীকে বাঁচাতে পাশে দাঁড়ালেন ভোলাহাটের বিট মালিকেরা

37

হৃদরোগে আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রী জালাল উদ্দীনের মেয়ে আশেয়া সিদ্দিকা জেলি (১৯)‘র পাশে দাঁড়িয়েছেন ভোলাহাটের বিট মালিকেরা। দরিদ্র পরিবারের ভাঙ্গা ঘরে জটিল এ রোগে জেলির ভাল্ব নষ্ট হয়ে গেছে। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে না পরায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন এক ছোট শিশুর মা জেলি।
পরিবার সুত্রে জানা যায়, দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারের মেয়ে জেলির অল্পবয়সেই বিয়ে দিয়ে দেন রাজমিস্ত্রি বাবা। বিয়ের পর পর জলির কোল জুড়ে আসে ফুটফুটে এক ছোট্ট্র কন্যা সন্তান। এমনি এক সময় জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন জেলি। অর্থাভাবে চিকিৎসকের কাছে যেতে না পেরে গ্রামের কবিরাজের কাছে ঝাড়ফুঁক দিয়ে রোগ সারানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেওয়া হয়। কিন্তু অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ধীরে ধীরে শারিরীক ভাবে অচল হয়ে পড়েন তিনি। টাকা পয়সা না থাকায় কি ভাবে অসুখ ভালো করবেন এ নিয়ে পরিবার হতাশ হয়ে পড়ে। এমনি অবস্থায় চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেন। পরীক্ষার রির্পোট দেখে চিকিৎসক জেলির ভাল্ব নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা জানান এবং দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন প্রচুর অর্থের। মিস্ত্রি বাবার মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। দিনমজুর মানুষের এতো টাকা সংগ্রহ করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়। জেলির এ খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে সম্প্রতি প্রকাশিত হলে ২৫ অক্টোবর রাতে ভোলাহাট বিট মালিক উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মাহালত আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল আহমেদ বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম রেজা ও ভোলাহাট সদর ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি আনোয়ার হোসেন রজব জেলির সাথে দেখা করে নগদ ২০ হাজার টাকা তুলে দেন। কিন্তু এটাকায় তার কিছু হবে না। তাই জেলিকে বাঁচাতে স্বহৃদ ব্যক্তিদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবার। তার রুপলী ব্যাংক, ভোলাহাট শাখার হিসাব নং-৩৫৫৮০১০০১১০৫৪তে অর্থ সহায়তার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।