হলিউডের সিনেমায় অভিজ্ঞতার কথা জানালেন মম

3

গল্প-চরিত্রের প্রয়োজনে নানা রূপে-ঢঙে পর্দায় হাজির হয়েছেন জাকিয়া বারী মম। সিনেমা হোক বা নাটক, চরিত্রের চাহিদা মাফিক দিয়েছেন সংলাপ, সেই সংলাপে ঢেলেছেন আবেগ। প্রায় দেড় যুগের ক্যারিয়ার এভাবেই বহন করে চলেছেন তিনি। তবে সম্প্রতি একেবারে ভিন্ন একটি অভিজ্ঞতা হয়েছে মমর। জীবনে প্রথমবারের মতো তিনি ডাবিং আর্টিস্টের কাজ করেছেন। হলিউডের জনপ্রিয় ভৌতিক সিনেমা ‘রেসিডেন্ট এভিল’র বাংলা ডাবিং ভার্সনে অ্যালিস চরিত্রে কণ্ঠ দিয়েছেন মম। নতুন এই অভিজ্ঞতায় উচ্ছ্বসিত মম। বললেন, ‘জীবনের প্রথম প্রফেশনালভাবে ডাবিং করা! এর আগে নিজের চরিত্রে ডাবিং করেছি।

কিন্তু অন্য একটা চরিত্রে, তার মতো করে, তার আবেগ ধারণ করে, তার চোখের চাহনি, তার শরীরের ভাষা বুঝে ডাবিং করাটা আমার জন্য চ্যালেঞ্জিং ছিলো।’ মম জানালেন, চরিত্রটি নিজের মধ্যে এমনভাবে ধারণ করেছেন যে, একপর্যায়ে তার নিজেকেই মনে হয়েছে অ্যালিস। অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘একটা সময় এসে এমন হয়ে গেলো, অ্যালিস এখন কী করবে, ডায়ালগ না শুনেই আমি আন্দাজ করতে পারতাম। অন টেকে (রেকর্ডিং চলমান) রেখে অ্যালিসের পরের স্টেপ অনুমান করে সংলাপ ডেলিভারি দিতে পারার সাথে সাথে এই জিনিসটাই অনুধাবন করতে পারলাম- আমিই অ্যালিস।’ যেহেতু ইংরেজি সিনেমার মধ্যে বাংলা ডাবিং বসানো হচ্ছে, তাই এটাকে যেন ¯্রফে সাবটাইটেল ধাঁচের মনে না হয়, সে জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন বলে জানান মম।

তার মতে, ‘প্রতিটি ডায়ালগ ধরে ধরে আমরা এগিয়েছি। স্ক্রিপ্টের বাইরেও ইম্প্রোভাইস করেছি। অনেক কারেকশন করে এগিয়েছি। কারণ দর্শক যেন ফিল না করে, তারা কোনো সাবটাইটেলড মুভি দেখছে। বরং নিজের মাতৃভাষা বাংলায় মুভিটা দেখার পর তাদের জন্য যেন সর্বোচ্চ বোধগম্যতা থাকে, সেই বিষয়ে আমি আর আমার ডিরেক্টর সতর্ক থেকে আউট অব বক্স কাজ করেছি।’ জানা গেছে, ‘রেসিডেন্ট এভিল’র বাংলা ডাবিং ভার্সনটি পরিচালনা করছেন খালিদ হাসান অভি। শিগগিরই এটি মুক্তি পাবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বায়স্কোপে। উল্লেখ্য, ‘রেসিডেন্ট এভিল’ সিরিজের প্রথম সিনেমাটি মুক্তি পায় ২০০২ সালের ১৫ মার্চ। এটি নির্মাণ করেছিলেন পল ডব্লিউ এস অ্যান্ডারসন। সিনেমাটির অ্যালিস চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মার্কিন অভিনেত্রী মিলা জভোভিচ। তার চরিত্রেই কণ্ঠ দিলেন মম।