স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার প্রতিস্থাপন বিষয়ে নাগরিক কমিটির মতবিনিময় নেসকো কর্মকর্তাদের সঙ্গে

25

স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার প্রতিস্থাপন বিষয়ে নেসকো কর্মকর্তাদের সঙ্গে নাগরিক কমিটির মতবিনিময় সভা অনষ্ঠিত হয়েছে।  সোমবার দুপুরে নবাবগঞ্জ ক্লাব মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন- নেসকো স্মার্ট প্রি-পেইড মিটারের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মাহবুবুল আলম চৌধুরী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ নেসকো’র নির্বাহী প্রকৌশলী বিতরণ-১ আলিউল আজিম ও নির্বাহী প্রকৌশলী বিতরণ-২ সেলিম রেজাসহ অন্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
অপর দিকে নাগরিক কমিটি সভাপতি সৈয়দ আহমেদ হোসেন বাদশা,সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মনির,উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আবু হাসিব ও অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলাম, শিক্ষক মারুফুল হক, জেষ্ঠ্য সাংবাদিক শামসুল ইসলাম টুকু ও রফিকুল আলম, ব্যবসায়ী নেতা শামসুল হক ও শওকত হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।
সভায় উপস্থিত নাগরিক কমিটি ও নেসকো কর্মকর্তারা স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার, গ্রাহকসেবা-বিদ্যুৎ সেবা সার্বিক সমস্যা ও করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করেন। নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দসহ সভায় অংশগ্রহণকারীরা জোরপূর্বক স্মাট প্রি-পেইড মিটার প্রতিস্থাপন না করার জন্য নেসকো কর্মকর্তাদের কাছে দাবি জানান।
উত্তরে নেসকোর কর্মকর্তারা বলেন, নতুন মিটার নিয়ে আশঙ্কার কারণ নেই। নতুন স্মাট প্রি-পেইড মিটারের বিভিন্ন গুণাগুণ তুলে ধরে তারা বলেন, কারো সাথে আলোচনা না করে মিটার প্রতিস্থাপন করা হবে না। এছাড়া যার যার ব্যবহৃত বিদ্যুৎ মিটার তাকেই দিয়ে দেয়া হবে। বিদ্যুৎ বিভাগ সে মিটার নিয়ে নিবে না। এছাড়া নতুন মিটার ভাড়া বাবদ যে টাকা কাটার কথা রয়েছে তা মওকুফের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ করা হবে। তবে ২০২২ সালের মধ্যে মিটার স্থাপনের কাজ শেষ করতে হবে বলেও জানান তারা।
তারা আরো জানান, এটি সরকারি সিদ্ধান্ত। আর সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন আমাদের করতে হবে।
বিদ্যুতের লোডশেডিং নিয়ে কর্মকর্তারা বলেন, বিদ্যুৎ সেবার মান বাড়াতে চলমান একটি প্রকল্পের আওতায় বিতরণ লাইন, টান্সফর্মার ও অন্য যন্ত্রাংশ প্রতিস্থাপনের কাজ চলছে যা শেষ হলে সেবার মান বাড়বে।