স্থানান্তর হচ্ছে পাঁকা নারায়ণপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

32

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নদী ভাঙন কবলিত পাঁকা নারায়ণপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়টি স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের চলমান দ্বন্দ্ব নিরসনের লক্ষে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানা গেছে।
শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবুল হায়াত জানান, বিদ্যালয়টি অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সিংহভাগই পদ্মানীদর একটি শাখা নদী পার হয়ে বিদ্যালয়ে যায়। এতে তাদের কষ্ট হয় এবং বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে সময় বেশি লাগে। কয়েক গ্রামের মানুষ মাঝামাঝি একটি চরে বিদ্যালয়টি স্থানারের চেষ্টা করেন। কিন্তু বর্তমান যে জায়গায় বিদ্যালয়টি আছে, সেখানকার বাসিন্দারা সেখানেই রাখতে চান। এ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। সেই দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্য এবং বিদ্যালয়টি স্থানান্তরের বিষয়ে আজ  পাঁকা, লক্ষ্মীপুর, কদমতলা ও নিশিপাড়া চর পরিদর্শন করি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলার একাডেমিক সুপারভাইজার মো. আব্দুল মান্নান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহা. গোলাম কিবরিয়া, পাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহা. আবদুল মালেক, বিদ্যালয়টির সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. ইসরাইল হক, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবুল হায়াত আরো বলেন- পরিদর্শন শেষে প্রধান শিক্ষক মো. মোবারক হোসেন, শিক্ষকম-লী, শিক্ষার্থীবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় ৫ শতাধিক মানুষকে নিয়ে বিদ্যালয় মাঠে উন্মুক্ত পরিবেশে একত্রে বসা হয়। উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পরামর্শ, মতামত এবং শিক্ষার্থীদের চাওয়া-পাওয়ার বিষয় বিবেচনা করে দেখা যায় প্রায় ৯০ ভাগ লোকের সমর্থন বিদ্যালয়টি নিশিপাড়া চরে স্থানান্তর করার পক্ষে এবং ১০ ভাগ লোক বিশরশিয়ায় রাখার পক্ষে সমর্থন দেন। তিনি জানান, সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত ও সমর্থনের ভিত্তিতে পাঁকা নারায়নপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়টি নিশিপাড়া চরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তিনি বলেনÑ বিদ্যালয়টি আরো একটি কারণে স্থানান্তর করা দরকার আর তাহলো পদ্মা নদীর ভাঙন। সরিয়ে না নিলে ভাঙনের কবলে পড়ে বিলীন হয়ে যাবে এবং ক্ষতি হবে বহু টাকার সম্পদ।