দৈনিক গৌড় বাংলা

সোমবার, ২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

সীমানার মৃত্যুতে শিল্পীদের শোক

সালাউদ্দিন লাভলু পরিচালিত আলোচিত ধারাবাহিক নাটক ‘সাকিন সারিসুরি’। বৃন্দাবন দাস রচিত এ নাটক ২০০৯ সালে চ্যানেল আইয়ে প্রচার হয়। নাটকটির অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন- চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফ করিম, সীমানা, শাহনাজ খুশি, গোলাম ফরিদা ছন্দা প্রমুখ। এ নাটকের কাকলি চরিত্র রূপায়নকারী সীমানা গতকাল মঙ্গলবার সকালে মারা গেছেন। ১৪ দিন জীবনের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে হেরে যান সীমানা। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৬টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই অভিনেত্রী। সীমানাকে হারিয়ে ‘সাকিন সারিসুরি’ নাটকের সহশিল্পীরাও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন। জাপান ডাক্তার চরিত্র রূপায়নকারী চঞ্চল চৌধুরী স্মৃতি হাতরে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তাতে তিনি লেখেন, “সীমানা, জীবনের সীমানা পেরিয়ে পৌঁছে গেলি মৃত্যুর সীমানায়! অনন্তলোকে তুই চির শান্তিতে থাকিস। তোর জন্য রইলো গভীর শোক। ‘সাকিন সারিসুরি’, ‘কলেজ স্টুডেন’ৃকত কত স্মৃতি!” ‘সাকিন সারিসুরি’ নাটকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র রহিতন। এটি রূপায়ন করেন মোশাররফ করিম। রহিতনের বিপরীতে অভিনয় করেন কাকলি অর্থাৎ সীমানা। রহিতনের বোনের চরিত্রে অভিনয় করেন শাহনাজ খুশি। সীমানার ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি লেখেন, ‘প্রতিদিন সকালে উঠেই, আগে নিউজ স্ক্রল করে দেখি, তোর কোনো ভালো খবর আছে নাকি। আজও তাই করতে যেয়ে, তোর এ খবর পেলাম! তোর সাথেকার সব স্মৃতি দুই চোখে ভিড় করছে, তোর বাচ্চা দুইটাৃ! সব যন্ত্রণার অবসান হলো। শান্তি তে ঘুমা!’ নাটকটিতে বাসন্তী রানী চরিত্রে অভিনয় করেন গোলাম ফরিদা ছন্দা। সীমানার চলে যাওয়া মানতে পারছেন তিনি। এ অভিনেত্রী ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘সীমানা, জীবন বড়ই বিচিত্র। কিন্তু মৃত্যু রংহীন একরকম। তোকে এই পৃথিবীর কোনো কিছুই তার সীমানায় আবদ্ধ করতে পারলো নারে, সব সীমানা পেরিয়ে তুই পাড়ি দিলি অনন্তলোকের অজানা সীমানায়। ভালো থাকিস বোন, চির শান্তিতে থাকিস ওপারে। রেখে গেলি বাচ্চা দুটো, ওদেরকে ওপার থেকে দেখে রাখিস।’

About The Author