সাভারে গুলি-বোমা ফাটিয়ে ব্যাংক ডাকাতি, নিহত ৮

87

savar (Custom)

ঢাকার পোশাক শিল্প পল্লী আশুলিয়ায় একটি ব্যাংকে ডাকাতের গুলিতে সাতজন নিহত হয়েছেন। জনতা এক ডাকাতকে ধরে পিটিয়ে মেরেছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।      কাঠগড়ায় বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের আশুলিয়া শাখায় মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে এক দল ডাকাত হানা দেয় বলে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী রবিন দেওয়ান নামে এক ব্যক্তি বলেন, “৩/৪টি মোটর সাইকেলে চড়ে ডাকাতরা আসে।” ডাকাতরা ব্যাংকে হামলা চালানোর স্থানীয় মাইকে ডাকাতদের প্রতিরোধের আহ্বান জানায় এলাকাবাসী। তখন ডাকাতরা গুলি চালালে পাঁচজন নিহত হন। আশুলিয়া থানার এসআই জাকারিয়া হোসেন বলেন, ডাকাতের গুলিতে ঘটনাস্থলে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। রাতে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ আরো দুজনের মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই দুই ডাকাতকে ধরে ফেলে জনতা। এর মধ্যে গণপিটুনিতে একজন মারা গেছে। আহত ১৬ জন এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানান এসআই জাকারিয়া।  রবিন বলেন, প্রতিরোধের মুখে ডাকাতরা পালাতে থাকে। এর মধ্যে একটি মোটর সাইকেল পড়ে গেলে জনতা দুই ডাকাতকে ধরে মারধর করে। তাদের একজন ঘটনাস্থলে মারা যায়। অন্যজনকে পুলিশে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে ডাকাতদের ফেলে যাওয়া ৫ লাখ ৯৪ হাজার ২৫৫ টাকা ভর্তি একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। সন্দেহভাজন ডাকাতদের ওই মোটর সাইকেলটি জ্বালিয়ে দিয়েছে জনতা। ডাকাতের গুলিতে নিহতরা হলেন- ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো অলিউল্লাহ (৪৫), ব্যাংকের গানম্যান বদরুল আলম (৩৮), ব্যাংকের গ্রাহক ব্যবসায়ী পলাশ (৪৮), ব্যাংক ভবনের নিচে ঝালমুড়ি বিক্রেতা মুনির হোসেন (৬০), ব্যাংক ভবনে অবস্থিত মার্কেটের দোকানি জিল্লুর রহমান, আশুলিয়ার কুটুরি এলাকার জমির (৩৮) এবং ব্যাংকের পাশে চাল বিক্রেতা নূর মোহাম্মদ (৩৫)। গণপিটুনিতে নিহত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহত কয়েকজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানান এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহমুদ হাসান। পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এস এম মাহফুজুল হক নুরুজ্জামান বলেন, “ঘটনার পরপরই পুলিশ এলাকায় অভিযান শুরু করেছে। কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।”