সহজ জয়ে ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে সিটি

3

আর্লিং হালান্ডকে ছাড়া নিজেদের এগিয়ে নিতে একটুও কার্পণ্য করেনি ম্যানচেস্টার সিটি। গত মঙ্গলবার রাতে সৌদি আরবের জেদ্দাতে অনুষ্ঠিত ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জাপানের উরাওয়া রেডসকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়নরা। আগামী শুক্রবার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিলিয়ান জায়ান্ট ফ্লুমিনেন্স। ইনজুরিতে থাকা হালান্ড কাল স্ট্যান্ডে বসে ম্যাচটি উপভোগ করেছেন। মারিয়াস হোইব্রাটেন্সের আত্মঘাতি গোলের পর মাতেও কোভাচিচ ও বার্নান্ডো সিলভার গোলে সিটি বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে।

জেদ্দার কিং আব্দুল্লাহ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে নরওয়েজিয়ান তরুণ প্রতিটি মুহূর্ত দলকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। সিটি বস পেপ গার্দিওলা নিশ্চিত করেছেন তার দলের শীর্ষ গোলদাতা ফাইনালেও খেলতে পারছেন না। কবে নাগাদ তিনি ফিরতে পারনে এ ব্যপারে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। ২৩ বছর বয়সী হালান্ড ইতোমধ্যেই পায়ের ইনজুরির কারণে চারটি ম্যাচ মিস করেছেন। আর্সেনাল ও লিভারপুলের থেকে পিছিয়ে সিটি প্রিমিয়ার লিগে শেষ ৬ ম্যাচের মাত্র একটিতে জয়ী হয়েছেন। আগামী ২৭ ডিসেম্বর ইংল্যান্ডে ফিরে তারা ইন-ফর্ম এভারটনের মোকাবেলা করবে। ক্লাব বিশ^কাপের আইনানুযায়ী যে ২৩ জন খেলোয়াড় সেমিফাইনালে নির্বাচিত হবেন তারাই কেবলমাত্র ফাইনালে খেলতে পারবেন। চার মাসের হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে কেভিন ডি ব্রুইনা সোমবার অনুশীলনে ফিরলেও তিনিও ফাইনালে খেলতে পারছেন না।

কাল এশিয়ান ক্লাবটির বিপক্ষে সবদিক থেকে সিটিজেনরা এগিয়ে ছিল। ৮০ শতাংশ পজিশন নিজেদের কাছে থাকলেও প্রথম গোলের জন্য সিটিকে ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়েছে। মাথেয়াস নুনেসের লো ক্রসে বক্সের ভিতর হোইব্রাটেন বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজের জালে জড়ালে আত্মঘাতি গোলের সুযোগে এগিয়ে যায় সিটি। আগের ১০ ম্যাচেই ৬টিতে পরাজিত এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন জাপানের উরাওয়া কিছুটা হলেও আত্মবিশ^াসের ঘাটতি নিয়ে কাল মাঠে নেমেছিল। সৌদির গরমে দুই দলেরই খেলতে বেশ সমস্যা হয়েছে।

কাইল ওয়াকারের পাসে জাপানীজ রক্ষনভাগকে ফাঁকি দিয়ে কোভাচিচ বিরতির পরপরই ব্যবধান দ্বিগুন করেন। জ্যাক গ্রিলিশের ক্রসে নুনেস দারুন একটি সুযোগ পেলেও তার হেড পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। সিটির তৃতীয় গোলেও নরওয়েজিয়ান ডিফেন্ডার হোইব্রাটেনের সহযোগিতা ছিল। সিলভার শট তার গায়ে ডিফ্লেকটেড হয়ে জালে জড়ালে তৃতীয় গোল পায় সিটিজেনরা। এই জয়ে ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলো ২০১২ সালের পর থেকে ক্লাব বিশ^কাপে টানা ২১টি ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে।