শেত্য প্রবাহ অব্যাহত কনকনে ঠান্ডায় খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ চরমে

126

12487178_1116899921683404_4439992473091212920_oচাঁপাইনবাবগঞ্জে মঙ্গলবার দুপুরে ও রাতে বৃষ্টির পর বুধবার সারাদিনই ছিল কুয়াশায় ডাকা প্রকৃতি। দিনভর সূর্য মামার দেখা মেলেনি। ফলে ঘন কুয়াশা আর হিমেল হওয়ায় অনেকেই এদিন ঘর থেকে বের হয়নি। আর যাদের কাজের তাগিদে ঘর থেকে বের হতেই হয়েছে তারা হিম ঠান্ডায় কষ্ট পেয়েছেন। কষ্টের মাত্রাটা একটু বেশিই ছিল খেটে খাওয়া ও ছিন্ন মূল মানুষ গুলোর। চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে রিক্সা চালান, মহব্বত আলী, ৫ জনের পরিবার চলে তার রিক্সার আয়ের উপরই। তিনি জানালেন ‘‘গরিবের কি আর জাড় ঠার আছে বাবা, রিস্কা না বাহির করলে কি খাব ছ্যালা পিল্যা বহু বেটি লিয়্যা’’। এদিকে চলমান এই ঠান্ডায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের রেল বস্তি সহ বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করা ছিন্নমুল মানুষ গুলোর কষ্ট যেন শয়ে গেছে। এ রকমই একজন নাসিমা আকতার নামে বলেন, ‘‘ক্যাইল রাতে পানি হয়েছে, আর বাতাস হয়্যাছে এমন যে এই ফুটা ফ্যাটির বাড়িতে থাকতে কেমন কষ্ট হবে তা তো বুঝতে পারছেন, কি আর কহব জাড় লিয়্যা। এটা হামারগে কপাল।’’ অন্যদিকে হিম ঠা-া থেকে বাঁচতে মানুষ ঘরমুখো হওয়ায়, রাস্তার পাশের বিভিন্ন হোটেল বা খাবারের দোকানে বিক্রি অনেক কমেছে বলে জানিয়েছেন এই সব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। শহরের জেল খানা মোড় এলাকার মায়া হোটেলের মালিকের কাছে প্রশ্ন ছিল কেমন হচেছ ব্যবসা এই শীতের দিনে। তিনি বলেন সবাই তো বাড়ি চলে যাচ্ছে, কে হোটেলে এসে বসবে কে খাবার খাবে। আজ ব্যবসা খুবই খারাপ।