শিল্পী হিসেবেই দায়িত্ব পালন করছি : নিপুণ

8

‘আমি একজন শিল্পী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। কোনও পদ ধারণ করে নয়। শিল্পী সমিতির কর্মচারীদের বেতন বাকি এটা কে দেবে? আমরাই সম্মিলিতভাবে দিচ্ছি। শুধু সমালোচনা করলে তো হবে না। কাজগুলো কে করবে? এসব তো সাংগঠনিক দায়িত্ব নিয়ে করতে হয় না, একজন শিল্পী হিসেবেই আমি করছি, অন্য কিছু নয়। ’ সংবাদমাধ্যমকে কথাগুলো বলছিলেন অভিনেত্রী নিপুণ। সদ্য বিগত হওয়া চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের পদ এখনো অমিমাংসিত। আদালত চেয়ারের ওপর ‘স্থিতাবস্থা’ জারি করে রেখেছে। গত শনিবার এফডিসির শিল্পী সমিতির অফিসের মিটিংয়েরে বেস কয়েকটি ছবি নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন অভিনেতা সাইমন সাদিক। ছবিগুলোর সঙ্গে তিনি ক্যাপশন জুড়ে দিয়েছিলেন, ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যকরী পরিষদের মিটিং। ’ বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়- এই প্রতিক্রিয়ার জবাবেই নিপুণ বলছেন, তিনি একজন শিল্পী হিসেবেই দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে জায়েদ খান নিপুণের চেয়ারে নিয়ে বলেন, ‘যেখানে আদালত স্থিতাবস্থা দিয়েছে। স্পষ্ট করে লেখা রয়েছে স্ট্যাটাস কো। সেখানে কিভাবে উনি বারবার চেয়ারে বসেন? আদালত অবমাননা মামলা হয়েছে তারপরেও তিনি একের পর এক আদালত অবমাননা করে যাচ্ছেন।’ এ বিষয়ে নিপুণের দাবি তিনি শিল্পীদের নিয়ে কাজ করছেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এই অভিনেত্রী বলেন, ‘একটা সংগঠন পড়ে থাকলে হবে না। আমি যেটা করছি, সেটা আপনি হলেও করতেন। গতকাল রোববার শিল্পী সমিতিতে দোয়া মাহফুল অনুষ্ঠিত হচ্ছে, মিজু আহমেদ ভাইয়ের মৃত্যুবার্ষিকী, দিতীয় আপার মৃত্যুবার্ষিকী, সংগঠনের এসব কাজ করতে হবে না? শুধু দূর থেকে মামলা মোকাদ্দমা নিয়ে কথা বললেই হবে?’ সংগঠন সচল রাখতে শিল্পী হিসেবে নিজের ভূমিকা তুলে ধরে নিপুণ বলেন, ‘সামনে আসছে রোজা।

বেশ কয়েকজনের নিয়মিত খাবার আয়োজন করতে হবে, কর্মচারীরা আছে। শিল্পীরা রয়েছে যাদের দেখতে হবে। এভাবে সমিতি থামিয়ে রাখলে হবে? সমিতি চলছে আমি একজন শিল্পী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। ’শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে অপেক্ষা বেড়েছে। গত ২ মার্চ জায়েদ খানের পক্ষে রায় দেন হাইকোর্ট। এরপর শপথ নিয়ে চেয়ারে বসেছিলেন জায়েদ খান। তবে গত ৬ মার্চ শুনানি শেষে জায়েদ খানকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার আদালত। আগামী চার সপ্তাহ এ পদে স্থিতাবস্থা থাকবে বলেও আদেশ দেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের একক বেঞ্চ।