দৈনিক গৌড় বাংলা

শনিবার, ২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৪ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

শসা ১৩০, মাছের দামও বাড়তি ঝাঁঝ বেড়েছে কাঁচামরিচেরও

চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাজারে শসার দাম বেড়েই চলেছে। আর ঝাঁঝ বেড়েছে কাঁচামরিচের। অন্যদিকে ডিমের দাম হালিতে ২ টাকা কমলেও বেড়েছে মাছের দাম। ঈদের পর জেলেরা কাজে না ফেরায় আমদানি কম থাকায় দাম বৃদ্ধির কারণ বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। অন্যান্য পণ্য গত কয়েক সপ্তাহের মতনই রয়েছে।  শুক্রবার জেলাশহরের নিউমার্কেট কাঁচাবাজার ঘুরে এমনটাই জানা গেছে।
মুদি দোকনদার আব্দুর রহমান বাবু জানান, ডিমের দাম হালিতে ২ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। অন্যদিকে নতুন মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪৫ টাকা, লাল স্বর্ণা ৫২ টাকা, জিরাসাইল ৬০-৬৫ টাকা, আটাশ চাল ৫৫-৬০ টাকা, আতপ চাল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, মসুর ডাল ১২৫-১৩০ টাকা, মোটা মসুর ডাল ১২০-১২৫ টাকা, দেশী ছোলার ডাল ১২৫ টাকা, খেসাড়ির ডাল ৯০-১০০ টাকা, মটর ডাল ১২০-১২৫ টাকা প্রতি কেজি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। খোলা গমের আটা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩৮ থেকে ৪০ টাকা, প্যাকেটজাত আটা বিক্রি হচ্ছে ৪৬-৫০ টাকা, বোতলজাত সয়াবিন ১৬৭ টাকা, খোলা সয়াবিন ১৬২ টাকা, চিনি ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে মাছ বিক্রেতারা জানান, ঈদের পরে জেলেরা কাজে না ফেরায় সরবরাহ কম। এজন্যই মাছের দাম একটু বেশি। পিয়ালি ৭২০-৮০০ টাকা, রুই ৩০০-৪৫০ টাকা, ছোট আকারের ট্যাংরা ৯০০-১০০০ টাকা, ছোট চিংড়ি ১০০০ টাকা, একেবারেই ছোটগুলোও ৮০০-৯০০ টাকা, কাতল ৩৬০-৫৬০ টাকা, আইড় ১০০০ টাকা, বাচা ১ হাজার ২০০ টাকা, বড় চিংড়ি ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে সবজি বিক্রেতা ফারুক বিল্লাহ জানান, বেগুন ৫০-৬০ টাকা, শসা ১৩০ টাকা, পটোল ২৫-৩০ টাকা, কাঁচকলা ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৬০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, সজিনা ৯০-১০০ টাকা, কচু ১০০ টাকা, আলু ৫৫-৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ৩০০ টাকা, ঢেঁড়শ ৩০ টাকা, ডাটা ৩০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, কাকরোল ৫০-৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, পুঁইশাক ২০ টাকা কেজি এবং লাল শাক ১০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর লাউ ও কুমড়া বিক্রি হচ্ছে প্রতিপিস ৫০-৬০ টাকা করে।
মুরগি বিক্রেতা শরিফুল ইসলাম জানান, দেশী মুরগি ৪৬০-৫৯০ টাকা, ব্রয়লার ১৯০-২০০ টাকা, লাল লেয়ার ৩৪০-৩৫০ টাকা, প্যারেন্স ৩৫০-৩৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

About The Author