শচিনের মতো অভিষেকে সেঞ্চুরি ছেলে অর্জুনের

5

যেন বাবাকে অনুকরণ করলেন অর্জুন টেন্ডুলকার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক শচিন টেন্ডুলকার রাঙিয়েছিলেন সেঞ্চুরিতে। প্রায় সাড়ে তিন দশক পর সেই কীর্তির পুনরাবৃত্তি করলেন তার ছেলে অর্জুন। বাবার মতো রঞ্জি ট্রফিতে নিজের প্রথম ম্যাচেই শতক উপহার দিলেন তিনিও। চলতি রঞ্জি ট্রফিতে গত মঙ্গলবার রাজস্থানের বিপক্ষে গোয়ার হয়ে প্রথম শ্রেণিতে অভিষেক অর্জুনের। ম্যাচের দ্বিতীয় দিন সেঞ্চুরি করে এই অর্জনে নাম লেখান ২৩ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। গোয়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন একাডেমি মাঠে ৭ নম্বরে নেমে ১২০ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন অর্জুন। ২০৭ বলের ইনিংস সাজান ২ ছক্কা ও ১৬ চারে। মূলত পেস বোলার হিসেবে পরিচিত অর্জুন। কিন্তু ব্যাটিংও যে বেশ কার্যকর, সেটার প্রমাণ তার এই ইনিংস। ম্যাচের প্রথম দিন শেষ বেলায় যখন ২০১ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় গোয়া, ব্যাটিংয়ে যান অর্জুন।

১২ বলে ৪ চার নিয়ে দিন কাটিয়ে দেন তিনি। ব্যাট হাতে নিজেকে মেলে ধরে বুধবার তিনি স্পর্শ করেন কাক্সিক্ষত তিন অঙ্ক। সেঞ্চুরি পর বেশিদূর যেতে পারেননি অর্জুন। কমলেশ নাগরকোটিকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন তিনি। এই ইনিংসের পথে ষষ্ঠ উইকেটে সুয়াশ প্রভুদেশাইয়ের সঙ্গে ২২১ রানের জুটি গড়েন অর্জুন। তিনে নামা প্রভুদেশাই করেন ডাবল সেঞ্চুরি। ১৯৮৮ সালে ডিসেম্বরে ১৫ বছর বয়সে প্রথম শ্রেণিতে অভিষেক হয় শচিন টেন্ডুলকারের। রঞ্জি ট্রফিতে তখনকার বোম্বের হয়ে গুজরাটের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে।

নিজের প্রথম ইনিংসেই অপরাজিত ১০০ রান করে চমক দেখান তিনি। রঞ্জি ট্রফির মতো দুলিপ ট্রফি ও ইরানি ট্রফিতেও অভিষেকে সেঞ্চুরি হাঁকান শচিন। সে সময় এই তিনটি প্রতিযোগিতায় নিজের প্রথম ম্যাচে শতক করা প্রথম ভারতীয় ব্যাটসম্যান ছিলেন তিনি। চলতি মৌসুমে আরও বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতে মুম্বাই ছেড়ে অর্জুন যোগ দেন গোয়া দলে। ২০২২ সৈয়দ মুশতাক আলি টি-টোয়েন্টি ট্রফিতে দলটির হয়ে ৭ ম্যাচ খেলে ১০ উইকেট নেন অর্জুন। ওভারপ্রতি রান দেন ¯্রফে ৫.৬৯। নিজ দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেন তিনি। বিজয় হাজারে ট্রফিতেও আলো ছড়ান অর্জুন। ৩২.৩৭ গড় ও ওভারপ্রতি ৪.৯৮ রান দিয়ে ৮ ম্যাচে যেখানে তার শিকার ছিল গোয়ার হয়ে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ৮ উইকেট। এবার তিনি দেখালেন ব্যাট হাতে নিজের সামর্থ্য।