রাশিয়ার মিত্র বেলারুশও ‘যোগ দিচ্ছে’ ইউক্রেন যুদ্ধে

2

ইউক্রেইনে যুদ্ধ শুরুর পঞ্চম দিনে এসে রাশিয়ার নেতা ভøাদিমির পুতিন তার বেলারুশের মিত্র আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোকেও লড়াইয়ে যোগ দিতে রাজি করিয়েছেন বলে খবর আসছে। বিবিসি লিখেছে, ইউক্রেইনে হামলা চালানোর জন্য গত কয়েক দিন প্রতিবেশী বেলারুশকে ‘স্প্রিংবোর্ড’ হিসেবে ব্যবহার করছিল রাশিয়া। এখন বেলারুশ নিজেই ইউক্রেইনে সেনা পাঠাচ্ছে রাশিয়ার আগ্রাসন সফল করতে। নাম প্রকাশ না করে একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট লিখেছে, বেলারুশ সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে।

গতকাল সোমবারই তাদের সৈন্যরা ইউক্রেইনে পৌঁছাতে পারে। আর একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে ইউক্রেইনের পত্রিকা কিয়েভ ইনডিপেনডেন্ট লিখেছে, বেলারুশ হয়ত বিমানে করে ছত্রীসেনা পাঠাবে। বেলারুশ, ইউক্রেইন ও রাশিয়া পাশাপাশি তিন দেশ। সবার সাথে সবার সীমান্ত রয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে হওয়া এই তিন দেশের মধ্যে বেলারুশ বরাবরই রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রেখে গেছে। বিবিসি জানিয়েছে, স্বৈরশাসনে থাকা বেলারুশ গত রোববার তাদের পারমাণবিক অস্ত্রবিরোধী অবস্থান থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। এর ফলে রাশিয়া এখন চাইলে তাদের পারমাণবিক অস্ত্র সেখানে মোতায়েন করতে পারবে।

আবার এই বেলারুশের মধ্যস্থতাতেই ইউক্রেইন ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনার খবর এসেছিল গত রোববার। বেলারুশ সীমান্তের গোমেলে এ বৈঠক হবে বলে ইউক্রেইনের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ইভগেনি ইয়েনিন জানিয়েছিলেন। আর ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে এ বিষয়ে তার টেলিফোনে কথা হয়েছে। আমরা একমত হয়েছি যে, ইউক্রেইনের প্রতিনিধি দল বিনা শর্তে ইউক্রেইন-বেলারুশ সীমান্তে প্রিপায়াত নদীর কাছে রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের বৈঠকে বসবে। আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো দায়িত্ব নিয়েছেন, ইউক্রেইনের প্রতিনিধি দলের যাওয়া, আলোচনায় অংশ নেওয়া এবং ফেরার পুরো সময়ে বেলারুশে থাকা সব যুদ্ধ বিমান, হেলিকপ্টার ও মিসাইল সিস্টেমকে নিশ্চল রাখা হবে।