রাবিতে লিপুসহ সকল হত্যাকান্ডের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

125

captureরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক আকতার জাহান জলির অস্বাভাবিক মৃত্যু ও একই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোতালেব হোসেন লিপুসহ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া সকল  হত্যাকা-ের সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবিতে  বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার বেলা ১১ টার দিকে বিভাগের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে সমাবেশে মিলিত হয়। বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বিভাগের সভাপতি প্রদীপ কুমার পান্ডে, বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক মো. মশিহুর রহমান, ইংরেজী বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড.এ.এফ.এম মাসউদ আখতার, নবাব আব্দুল লতিফ হলের প্রভোস্ট প্রফেসর বিপুল কুমার বিশ্বাস, বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী হোসাইন মিঠু প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন, আমরা আর কোন হত্যার বিচারের দাবি নিয়ে রাস্তায় নামতে চাইনা। আমরা নিজেদের নিরাপত্তা চাই, সুষ্টু বিচার চাই। এখানে আমরা পড়ালেখা করতে এসেছি আমার ভাই ও শিক্ষক হত্যার বিচারের দাবি জানিয়ে প্রতিনিয়তো রাজপথে নামতে আসিনি। আমরা আর কোন তামাশা দেখতে চাই না “বিচার চাই”।
বিশ্ববিদ্যালয় একটি নিরাপদ বেষ্টিত জায়গা এর থেকেও বেশি নিরাপদ জায়গা যেটি মনে করা হয়  সেটি হলো আবাসিক হল। কিন্তু আজ আমরা সেখানেও নিরাপদ নয়। প্রশাসনের কাছে নিজেদের নিরাপত্তার দাবিও জানান বক্তরা। আমরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত দেখতে চাই। যতদিন পর্যন্ত এর বিচার হবে না আমরা কঠোর থেকে কঠোর আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
এসময় তারা লিপু হত্যাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া সকল হত্যাকান্ডের জোর বিচারের দাবি জানান। উল্লেখ্য, ২০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সাকলে নবাব আব্দুল লতিফ হলের ড্রেন থেকে মোত্তালিব হোসেন লিপুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওইদিন বিকেলে লিপুর চাচা বশির মোল্লা বাদী হয়ে নগরীর মতিহার থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। অন্যদিকে, গত ৯ সেপ্টেম্বর শিক্ষক আক্তার জাহান জলির লাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে জুবেরী ভবনে তার নিজ কক্ষ ৩০১ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন মতিহার থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার দায়ে মামলা দায়ের করেন জলির ছোটো ভাই কামরুল হাসান। তার দেড় মাস পরেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দিতে পারেনি পুলিশ।