রাজশাহী নগরকে আরো এগিয়ে নিতে চাই : লিটন

4

রাজশাহী সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, নাগরিক সেবার প্রতিষ্ঠান রাজশাহী সিটি করপোরেশন। নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়নসহ সব বিষয়ে এ প্রতিষ্ঠানটিকে কাজ করতে হয়। ‘রাজশাহী মহানগরের সমন্বিত নগর অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় মহানগরজুড়ে ব্যাপক উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। এ প্রকল্পের বাইরেও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করতে হয়। এ কাজে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, আলেম উলামাসহ সুধীজনদের মতামত নিয়ে এসব কাজ করতে চাই। প্রিয় রাজশাহী নগরকে আরো সুন্দর করতে সবার সহযোগিতা চাই।
শনিবার দুপুরে নগর ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় মেয়র এসব কথা বলেন।
‘রাজশাহী মহানগরের সমন্বিত নগর অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের বাইরে বিভিন্ন উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমসমূহ দ্রুত বাস্তবায়ন এবং কার্যক্রম তদারকির লক্ষে গৃহীত কমিটির সমন্বয় সভা হয়।
সভার শুরুতে বর্তমান পরিষদের চতুর্থ বছর পূর্তিতে নগরজুড়ে পরিকল্পিতভাবে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকা- পরিচালিত হওয়ায় মেয়রকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।
সভায় জানানো হয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় গৃহহীনদের জন্য বহুতল বিশিষ্ট গৃহনির্মাণ করা হবে। সব নাগরিক সুযোগ-সুবিধায় চকপাড়া এলাকায় স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণ প্রকল্প প্রণয়ন কাজ এগিয়ে চলেছে। কবরস্থান ও খেলার মাঠ তৈরির জন্য জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত কাজ এগিয়ে চলেছে, হজরত শাহ মখদুম রূপোশ (র.) দরগাহ শরীফের উন্নয়ন প্রকল্পে দরগা মাদ্রাসার উন্নয়ন, শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামানের সমাধিসৌধ নির্মাণ প্রকল্প, মহানগরের জলাশয় সংরক্ষণ ও সবুজায়ন প্রকল্প, স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য গৃহনির্মাণ প্রকল্প, সিটি হাসপাতালসহ নগর মাতৃসদন এবং চারটি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালুকরণ, দারুচিনি মার্কেট চালুকরণ, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শহীদ কামারুজ্জামান নার্সিং কলেজ স্থাপন, আরসিসি টেকনিক্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এবং ভাষা শিক্ষা ইনস্টিটিউট চালুকরণ, শেখ রাসেল আইসিটি ল্যাব স্থাপন, শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার উন্নয়ন, শিরোইল উদ্যান উন্নয়ন, শহীদ জিয়া শিশু পার্ক উন্নয়ন, শেখ রাসেল শিশু পার্ক উন্নয়ন, মহানগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বেঞ্চ স্থাপন, অ্যানেক্স ভবনের কক্ষ ও ফ্লোর বরাদ্দ, নগর ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন, কন্ট্রোল অ্যান্ড কমান্ড সেন্টার চালুকরণ, ওলামা কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে ব্যাংক গঠন, সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন স্থাপন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় রাসিকের প্যানেল মেয়র-১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু, ২২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল হামিদ সরকার টেকন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এ বি এম শরীফ উদ্দিন, সচিব মশিউর রহমান, প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাডভাইজার আশরাফুল হক, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট গোলাম মুর্শেদ, প্রধান প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নূর ইসলাম তুষার, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ নূর-ঈ-সাঈদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।