রাজশাহী-কলকাতা রুট : ট্রেন চালু করতে রেলমন্ত্রীকে ডিও লেটার রাসিক মেয়রের

29

রাজশাহী-কলকাতা রুটে সরাসরি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের বিষয়ে রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকায় রেলভবনে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে রাসিক মেয়রের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
রাসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুস্তাফিজ মিশু এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকের শুরুতে রাজশাহী-কলকাতা রুটে ট্রেন চালু করতে রেলমন্ত্রীকে ডিও লেটার দেন মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আশ্বাস দেন রেলমন্ত্রী।
ডিও লেটারে রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন উল্লেখ করেন, রাজশাহী অঞ্চলের মানুষ প্রতিনিয়ত ব্যবসা-বাণিজ্য, উচ্চতর শিক্ষা, দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন ও বিশেষ করে উন্নত চিকিৎসার প্রত্যাশায় ভারতে যান। রাজশাহী থেকে সরাসরি ভারতে যাওয়ার কোনো পরিবহন মাধ্যম না থাকায় এ অঞ্চলের মানুষ নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এ কারণে রেলযোগে ভারতের সঙ্গে সরাসরি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের দাবি দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রেলযোগাযোগের ইতিহাস বেশ পুরোনো। এরই অংশ হিসেবে বলা যায়, দর্শনা বর্ডার হয়ে ভারতের গেদে রেলপথ ব্রিটিশ আমলেই নির্মিত হয়েছে। দর্শনা বর্ডার দিয়ে গেদে হয়ে কলকাতা বর্তমানে বাংলাদেশ-ভারতের মৈত্রী এক্সপ্রেস চলাচল করে। রেলযোগাযোগ বিদ্যমান থাকায় ঢাকা-কলকাতা এবং খুলনা-কলকাতার মতো রাজশাহী থেকে কলকাতা যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল সহজতর হবে বলে আমি বলে মনে করি।
মেয়র আরো বলেন, রাজশাহী থেকে কলকাতা পর্যন্ত সরাসরি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হলে শস্যভা-ারখ্যাত উত্তরাঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে। কারণ যে কোনো ধরনের চিকিৎসাসেবা নেয়ার ক্ষেত্রে ভারতই তাদের প্রথম পছন্দ। শুধু তাই নয়, রাজশাহী ও কলকাতা সরাসরি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হলে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে। ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং জ্ঞান বিনিময় বৃদ্ধি পাবে। উভয় দেশের মানুষ ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন।