যেভাবে মাহির পরিবর্তে সুযোগ পেলেন সাবর্ণী

8

আবুল কালাম আজাদ পরিচালিত ‘ও মাই লাভ’ সিনেমাটি আগামী ৯ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাবে। শুটিং দীর্ঘদিন আগে শেষ হলেও সম্প্রতি জানা যায় এই সিনেমায় মাহিয়া মাহি প্রযোজকের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়েও শেষ পর্যন্ত কাজটি করেননি। তার বদলে যুক্ত হন ওপার বাংলার টালিগঞ্জের অভিনেত্রী সাবর্ণী। কীভাবে মাহির পরিবর্তে লিড রোল করার সুযোগ পেলেন জানিয়েছেন সাবর্ণী। এই অভিনেত্রী বলেন, ‘‘ও মাই লাভ’ সিনেমার শুটিং ২০১৮ সালে শুরু হয়। এই সিনেমার লিড রোলে অভিনয়ে যুক্ত হওয়াটা ছিল অপ্রত্যাশিত! আসলে এই সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করার কথা ছিল মাহিয়া মাহির। আর আমার করার কথা ছিল সেকেন্ড রোল করার। যেটি এখন বাংলাদেশের অমৃতা করেছেন। কোনো এক অজানা কারণে মাহি সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ান।

এরপর শুটিং করে দুই দিন বসে ছিলাম। আমি মায়ের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি হোটেলেই ছিলাম। তিন দিনের মাথায় প্রযোজক জাহাঙ্গীর সিকদার, মোরশেদ খান হিমেল আর শামসু্দ্িদন টিপু ভাই হোটেলে দেখা করে আমাকে লিড রোল করার অফার দেন। আমি সঙ্গে সঙ্গেই হ্যাঁ বলে দিই। এটি ছিল আমার কাছে ইউনিক ও শকিং বিষয়। প্রায় দেড় মাস মুভিটির জন্য সময় দিয়েছি। আশা করছি সবার ভালো লাগবে। সিনেমাটি দর্শক গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে ঢালিউডের আরও সিনেমায় অভিনয় করার ইচ্ছে রয়েছে।’ ‘ও মাই লাভ’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য মাহিয়া মাহি নগদ ১০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক এবং এক লাখ টাকা পোশাক বাবদ নেন।

পরিচালক আবুল কালাম আজাদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘একাধিকবার গল্প শোনার পর তিনি সিনেমাটিতে চুক্তিবদ্ধ হন। কিন্তু শুটিংয়ের আগের দিন মাহি গল্প পরিবর্তন ও দ্বিতীয় নায়িকাকে সিনেমা থেকে বাদ দিতে বলেন। সম্মত না হলে তিনি সিনেমাটিতে কাজ করায় অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর শিল্পী সমিতির তদানীন্তন সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের মধ্যস্থতায় মাহি কয়েক দফায় পাঁচ লাখ টাকা ফেরত দিলেও বাকি ছয় লাখ টাকা ফেরত দেননি।’ জাহাঙ্গীর শিকদার এই ছয় লাখ টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য মামলা করবেন বলে জানান। এক্সেল ফিল্মস-এর ব্যানারে সিনেমাটিতে ওপার বাংলার অভিনয়শিল্পী ঋদ্ধিশের বিপরীতে অভিনয় করেছেন অমৃতা ও কলকাতার নায়িকা সাবর্ণী। সিনেমাটির মুক্তিকে সামনে রেখে এর ট্রেইলার প্রকাশিত হয়েছে। সিনেমাটির অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন আলী রাজ, অমিত হাসান, অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, বিপাশা কবির, বরদা মিঠুসহ অনেকে। এর কাহিনি ও সংলাপ করেছেন কমল সরকার। সিনেমাটির নির্বাহী প্রযোজক মোরশেদ খান হিমেল।