দৈনিক গৌড় বাংলা

মঙ্গলবার, ২৫শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

যেকোনো ভূমিকায় খেলতে আত্মবিশ্বাসী গ্রিন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য অস্ট্রেলিয়ার একাদশ একরকম সাজানোই। সেখানে ক্যামেরন গ্রিনের জায়গা করে নেওয়া বেশ কঠিন। তবে আশা ছাড়ছেন না এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার। যেকোনো ভূমিকায় খেলতে আত্মবিশ্বাসী গ্রিন বললেন, দলের প্রয়োজন মেটাতে প্রস্তুত তিনি। এই আত্মবিশ্বাস গ্রিন পাচ্ছেন সবশেষ আইপিএলের পারফরম্যান্স থেকে। টুর্নামেন্টের শুরুতে রয়্যাল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে তিনে ব্যাটিং করে সেভাবে জ¦লে উঠতে না পারায় তাকে কয়েকটি ম্যাচে রাখা হয় বাইরে। এরপর দলে ফিরে চার থেকে ছয় নম্বরে খেলে কার্যকর ব্যাটিং করেন তিনি। সব মিলিয়ে, আসরে কোনো ফিফটি না করা গ্রিনের ব্যাট থেকে ১২ ইনিংসে আসে ২৫৫ রান। গড় ৩১.৮৭ ও স্ট্রাইক রেট ১৪৩.২৫। রান বন্যার আইপিএলে বল হাতেও খারাপ ছিলেন না তিনি। ওভারপ্রতি নয়ের নিচে রান দিয়ে নেন ১০ উইকেট। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে চলমান বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং লাইন-আপে কারা খেলবেন একরকম নির্ধারণ করা আছে। আর পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে একাদশে তো থাকবেন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। যদিও টুর্নামেন্টের প্রথম দিকে বোলিং করতে পারবেন না হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়া মার্শ। আর এটা গ্রিনের জন্য ভালো একটি সুযোগ হতে পারে। অবশ্য একাদশে জায়গা করে নেওয়ার মতো অস্ট্রেলিয়া দলে আছেন আরেক পেস বোলিং অলরাউন্ডার মার্কাস স্টয়নিসও। পথটা সহজ নয়, বুঝতে পারছেন গ্রিন। তবে যেকোনো পরিস্থিতিতে দলকে সাহায্য করার নিজের সামর্থ্য নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী তিনি। “গত কয়েক বছরে যেসব পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে, সেটা আমার কাছে দারুণ বিষয়। দলে পাকা হওয়ার মতো সত্যিই ধারাবাহিক কোনো জায়গা ছিল না আমার বেলায়, তবে একই সঙ্গে আমি এমন অভিজ্ঞতার জন্য কৃতজ্ঞ।” “এখন মনে হচ্ছে, আমি বিভিন্ন ভূমিকায় ঝাঁপিয়ে পড়তে পারি, এই টুর্নামেন্টে আমি নিজেকে সেখানেই দেখতে পাচ্ছি, সম্ভবত দলে ঘাটতির জায়গাগুলো পূরণ করতে পারব। জায়গা করে নেওয়ার জন্য এটা দারুণ একটি দল। যেখানেই আমাকে খেলতে বলা হবে, আমি মনে করি, সেখানে খেলার আত্মবিশ্বাস আমার কিছুটা আছে এবং কোথায় কীভাবে ব্যাট করতে হবে সে সম্পর্কে ধারণা রয়েছে।” অস্ট্রেলিয়া শিরোপা পুনরুদ্ধারের অভিযান শুরু হবে বৃহস্পতিবার। প্রথম ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে খেলবেন ২০২১ আসরের চ্যাম্পিয়নরা।

About The Author