যুক্তরাজ্যে ওমিক্রনে মৃত্যু বেড়ে ১২

1

যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বেড়ে ১২ জনে দাঁড়িয়েছে। মাত্র কয়েকদিন দিন আগে দেশটিতে এ ধরনে প্রথম মৃত্যু হয়। বিশ্বে এটাই ছিল ওমিক্রনের প্রথম মৃত্যু। এর সপ্তাহ পেরোতে না পেরোতেই ১২ জনের মৃত্যু উদ্বেগজনক হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী ডমিনিক রাব সোমবার জানালেন, যুক্তরাজ্যে ইতোমধ্যেই ১২ জনকে কেড়ে নিয়েছে ওমিক্রন। কিন্তু পরিস্থিতি ধীরে ধীরে গুরুতর দিকে যাওয়া সত্ত্বেও বড়দিনের আগে বিশেষ বিধিনিষেধ বলবৎ বা কড়াকড়ি বাড়ানোর বিপক্ষে অবস্থান দেশটির।

ডমিনিক রাব এ প্রসঙ্গে বলেন, বিধিনিষেধ নিয়ে আমি এখনই কিছু বলতে পারছি না। করোনার ডেল্টার পর এ ধরন নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সবচেয়ে বেশি চিন্তায় ফেলেছে। হু হু করে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে ধরনটি। ইতোমধ্যেই প্রায় ৮৯টি দেশে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ছড়িয়ে পড়া এ ধরন যুক্তরাজ্যে সবচেয়ে বেশি ডমিনেট করছে। দেশটিতে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে ১০৪ জন হাসপাতালে ভর্তি বলেও জানিয়েছেন ব্রিটিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী।

গতকাল মঙ্গলবার ওমিক্রন ধরনে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। টেক্সাসের হ্যারিস কাউন্টির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্রে ওমিক্রন ধরনে এটাই প্রথম মৃত্যু বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) এ ব্যাপারে এখনও কিছু জানায়নি। মৃত ওই ব্যক্তির বয়স ৫০ থেকে ৬০ হতে পারে। তিনি টিকা নেননি বলেও জানা গেছে। এ ছাড়া তার শারীরিক অবস্থাও ভালো ছিল না। গত ২৪ নভেম্বর নতুন এ ধরন প্রথম শনাক্ত হওয়ার কথা জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। প্রাথমিকভাবে নতুন ধরনটিকে ‘বি.১.১.৫২৯’ নামে ডাকা হচ্ছিল। পরে ডব্লিউএইচও নামকরণ করে ওমিক্রন। এবং একে উদ্বেগজনক ধরন বলে আখ্যায়িতও করে।