যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জেসি এমপির

13

সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী ইসলাম জেসি বলেছেন, চুল ও নখ ছাড়া মানুষের দেহের যে কোনো জায়গায় যক্ষ্মা হতে পারে। সাধারণত হাঁচি ও কাশির মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগ ছড়ায়। কাজেই যেখানে সেখানে থুথু বা কফ ফেলা যাবে না। সাবধানতা অবলম্বন করে হাঁচি কাশি দিতে হবে। তিনি বলেন, যক্ষ্মা দুই প্রকার একটি হচ্ছে ফুসফুসে অপরটি ফুসফুস বহির্ভূত। টানা দুই সপ্তাহের বেশি কাশি হলে চিকিৎসকের স্মারণাপন্ন হতে হবে এবং শনাক্ত হলে চিকিৎসা নিতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার এ রোগের চিকিৎসা চালু করেছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জেও এ সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাতেও যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা ও ওষুধ বিনামূল্যে পাওয়া যা। এখন প্রয়োজন এ রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
এমপি জেসি বলেন, ইমামগণ আমাদের সমাজে খুবই সম্মানিত, আপনাদের কথা মানুষ শোনে। কোনো লোকের যক্ষ্মাজনিত সমস্যা দেখতে পেলে তাকে বা তাদেরকে বক্ষব্যাধি ক্লিনিকে পাঠাবেন। সেই সঙ্গে জুম্মার নামাজের আগে এ বিষয়ে আলোচনা করবেন, যাতে সাধারণ মানুষ এ বিষয়ে জানতে পারে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা শহরের শিশু শিক্ষা নিকেতনের হলরুমে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন নাটাব জেলা শাখার সভাপতি মনিম উদ দৌলা চৌধুরী। যক্ষ্মা প্রতিরোধে আমাদের করণীয়, চিকিৎসা, প্রতিষেধক অর্থাৎ টিপিটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন, সভার প্রধান আলোচক জেলা বক্ষ ব্যাধি ক্লিনিকের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. তৌহিদুল ইসলাম। নাটাবের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং কর্মকা-ের তথ্য তুলে ধরেন, ঢাকা, নাটাবের প্রতিনিধি ও রাজশাহী জোনের মাঠকর্মী মো. রুহুল আমিন।
স্বাগত বক্তব্য দেন শিশু শিক্ষা নিকেতনের শিক্ষক মো. আনিসুর রহমান। এছাড়া মুক্ত আলোচনায় ইমামরাও অংশগ্রহণ করেন।