মানসিক চাপ এড়াতে আখরোট

92

02-

দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মানসিক চাপ এড়াতে বেছে নিতে পারেন এই খাবার। গবেষণা বলছে, দুশ্চিন্তা কমাতে শরীরকে সাহায্য করে আখরোট। এতে থাকে ‘পলিআনস্যাচুরেইটেড ফ্যাট’ যা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত অবস্থায় রক্তচাপ কমাতে সহায়ক। আও দেখা যায়, ‘অ্যাভরেজ ডায়াস্টলিক ব্লাড প্রেশার’ (নিচের নম্বর) কমাতে আখরোট অত্যন্ত উপকারী। পাশাপাশি এতে থাকে আঁশ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং আনসাচুরেইটেড ফ্যাটি অ্যাসিড। এক কাপের এক চতুর্থাংশ আখরোট শরীরের দৈনিক ওমেগা-থ্রি ফ্যাটস’য়ের চাহিদার ৯০ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম। ভারতীয় পুষ্টিবিদ এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ আমারাপালি পাটেল বলেন, “একমুঠ আখরোট ‘কর্টিসল’য়ের মাত্রা কমায়। এই হরমোন যা মানসিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত, বিশেষ করে যাদের অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার সমস্যা রয়েছে। এছাড়াও শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় আখরোট।” আখরোটের আরও কিছু গুণ সম্পর্কে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক এক ওয়েবসাইট।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়: প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক আখরোট। পাশাপাশি স্তনে টিউমারের বৃদ্ধি রোধ করে। খাদ্যাভ্যাসে আখরোট থাকলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।

ডায়বেটিসের ঝুঁকি কমায়: টাইপ-টু ডায়বেটিসে আক্রান্ত রোগীদের বিপাকীয় প্রক্রিয়ার উন্নয়নে অবদান রয়েছে আখরোটের। প্রতিদিন এক কাপের এক চতুর্থাংশ আখরোট শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে এবং দেহের আদর্শ ওজন ধরে রাখতে সাহায্য করে।

মেধা বাড়াতে: স্মৃতিশক্তি ও মেধা বাড়াতে ভূমিকা রয়েছে আখরোটের, বিশেষত বয়স্কদের ক্ষেত্রে। এতে থাকে প্রচুর ‘পলিফেনোল’ উপাদান যা স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন মাত্র ছয়টি আখরোট থেকেই মিলবে এই স্বাস্থ্য সুবিধা।

পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে: উর্বরতা বাড়াতে আখরোটের উপকারিতা অনেকেরই অজানা। প্রতিদিন প্রায় ৭৫ গ্রাম আখরোট গ্রহণ শুক্রাণুর গুণগত মান বাড়ায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে: এবং শরীরে কোলেস্টেরোলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে আখরোট। আখরোটে থাকা ‘আলফালিনোলেনিক আসিড’ হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

ত্বকের উজ্জ্বলতা: ভিটামিন বি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর আখরোট ত্বক ঝুলে পড়া ও বয়সের ছাপ পড়ার হাত থেকে রক্ষা করে।

বাড়তি পুষ্টি গ্রহণের একটি সুস্বাদু উপায় আখরোট। পাশাপাশি খাবারেও আনে ভিন্ন স্বাদ ও কুড়মুড়ে ভাব।