ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বাড়ছে নরমাল ডেলিভারির সংখ্যা

5

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গর্ভবতী নারীদের নরমাল ডেলিভারির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। অপ্রয়োজনে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্মদানে নিরুৎসাহিত করায় এ সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।
ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত কয়েক মাসে নরমাল ডেলেভারির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই কমপ্লেক্সে গত বছরের অক্টোবরে ৩৮, নভেম্বরে ৪৯ ও ডিসেম্বরে ৪২ জন প্রসূতির নরমাল ডেলিভারি হয়েছে।
উপজেলার তাঁতীপাড়া গ্রামের মেহেদী হাসান সবুজের স্ত্রী মোসা. সোনিয়া জানান, তার প্রথম বাচ্চা নরমাল ডেলিভারি হওয়ায় খুব খুশি হয়েছেন। তিনি বলেন, সিজার করলে টাকাও বেশি খরচ হতো।
মুশরীভূজা গ্রামের মো. টিপু সুলতানের স্ত্রী মোসা. বাকেরা বেগম জানান, আমার প্রথম বাচ্চা সিজার না করে নরমাল ডেলিভারি হওয়ায় আমরা খুব আনন্দিত।
ময়ামারী গ্রামের মো. জাহিদুলের স্ত্রী মোসা. রোজিনার প্রথম বাচ্চা সিজার না করেই নরমাল ডেলিভারি হওয়ায় খুশি তার পরিবার। তিনি ভোলাহাট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহাবুব হাসান জানান, সিজারিয়ানের কারণে একজন মা ও শিশুর কি ধরনের ক্ষতি হয় তা অনেকেই জানে না। ক্ষতিকর দিকগুলো জানানোর জন্য অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকে গর্ভবতী মায়েদের আমরা কাউন্সিলিং করছি। এই প্রচারে কাজও হয়েছে। গত তিন মাসে এই হাসপাতালে ১২৯ জন প্রসূতির মায়ের নরমাল ডেলিভারি করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন চিকিৎসক ও ৫ জন মিডওয়াইফ সার্বক্ষণিক নিয়োজিত আছেন। প্রসব ব্যথা শুরু হলে দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসার অনুরোধ করেন তিনি।