ভারতে টিকা নেওয়ায় পিছিয়ে পশ্চিমবঙ্গের তরুণ-তরুণীরা

8

করোনাভাইরাসে সংক্রমণের দিক থেকে বর্তমানে বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের পরই ভারতের অবস্থান। গেল কয়েকদিনের তা-বের পর দেশটিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কিছুটা কমেছে। গতকাল শনিবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৭০৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এসময়ে ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়ে মারা গেছেন ৪৮৮ জন। আর সংক্রমণের হার নেমে এসেছে ১৭ দশমিক ২২ শতাংশে। দেশটিতে এই মুহূর্তে অ্যাক্টিভ (পজিটিভ রয়েছেন) করোনা রোগীর হিসাবে শীর্ষ দশ রাজ্যের তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। অথচ টিকাকরণে রাজ্যটি এখনও বেশ পিছিয়ে, বিশেষ করে কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণীদের আগ্রহ তেমন নেই বললেই চলে।

বৃহস্পতিবার দিল্লিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৫-১৮ বছর বয়সীদের মধ্যে করোনা টিকাকরণে ভারতে সবার পেছনে পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যটিতে মাত্র ৫৩ শতাংশ কিশোর-কিশোরীর টিকাকরণ হয়েছে। একই সঙ্গে নাম রয়েছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দাদরা ও নগরহাভেলির। গত ৩ জানুয়ারি ভারতে ১৫-১৮ বছর বয়সীদের টিকাকরণ শুরু হয়। পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন স্কুলে টিকাকরণের ব্যবস্থা হয়েছে। তবে রাজ্যে স্কুল থেকে ঝরে পড়াদের এখনও টিকাকরণের ব্যবস্থা শুরু করে উঠতে পারেনি রাজ্য সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৫-১৮ বছর বয়সীদের টিকাকরণে সবার ওপরে নাম রয়েছে অন্ধ্র প্রদেশের। সেখানে ৯১ শতাংশ টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে। নয়া দিল্লির সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, দেশে অ্যাক্টিভ কেসের হিসাবে শীর্ষ দশেই আছে পশ্চিমবঙ্গের নাম, যা যথেষ্ট উদ্বেগের। যদিও পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান বলছে, গত কয়েকদিন ধরে টানা কমছে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা।